পরীমণি ও শরীফুল রাজ সিনেমার বাইরের কর্মকা-ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায়, একই সঙ্গে সমালোচনারও শেষ নেই। কয়েক মাস আলাদা থাকার পর গত বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি স্থিরচিত্র দেখে তাদের একত্রে থাকার ইঙ্গিত মিললেও পরদিন শুক্রবার জানা যায়, পরীমণির বাসা থেকে রাজ আবার বেরিয়ে গেছেন। এদিন সন্ধ্যায় প্রচন্ড জ্বর নিয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন পরীমণি। খবরটা ছড়িয়ে পড়ার কিছু সময় পর শরীফুল রাজের রক্তাক্ত মাথার একটি স্থিরচিত্র ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে দেখা যায়। তবে কখন, কোথায়, কীভাবে মাথা ফেটে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে, তা কেউই বলতে পারেনি।
সম্প্রতি সব মান-অভিমান ভুলে প্রায় তিন মাস পর আবারও পরীর বসুন্ধরার বাসায় ফিরেছেন রাজ। জানিয়েছিলেন, ভালো আছেন, ঠিকঠাক আছেন তারা। ছেলেকে নিয়ে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন। তবে এক দিনের ব্যবধানেই আবার বদলে গেল হিসাব। জানা যাচ্ছে, মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রাজ। অন্যদিকে পরীমণি জ্বরে ভুগছেন।
১০ আগস্ট একমাত্র সন্তানের প্রথম জন্মদিন উদযাপন করেন পরীমণি। সে আয়োজনে দেখা যায়নি বাবা শরীফুল রাজকে। এর সাত দিন পর গত বৃহস্পতিবার ফেসবুকে সন্তান রাজ্যসহ পরীমণি ও শরীফুল রাজের একাধিক স্থিরচিত্র ফেসবুকে ছড়ায়। যা দেখে সবাই ধরে নেন, মান-অভিমান ভুলে তারা আবার একত্র হয়েছেন। বিষয়টি কি আসলে তা-ই? একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, এসব ছবি অন্য একটা উপলক্ষকে কেন্দ্র করে তোলা হয়। তাই ছবি দেখে মোটেও বলা যাবে না, পরী ও রাজ এক হয়েছেন। এসব ছবির সঙ্গে একত্র হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা একত্রে নেইও। আবারও রাজ তার মতো করে বাসা থেকে বেরিয়ে গেছেন। মাস দু-একের বেশি সময় ধরে পরীমণি ও চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না। এ নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে তাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও প্রকাশিত হয়। এসব বক্তব্যে সম্পর্কটা কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে, তা সবাই অনুমান করেছেন। অন্যদিকে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই জ্বরে ভুগছেন পরীমণি। শুক্রবার সকাল থেকেই পরীমণির জ্বরের মাত্রা বেড়েছে। চিকিৎসা নিতে সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু এ সময় পরীমণির সঙ্গে ছিলেন না শরীফুল রাজ। সূত্রটি আরও জানায়, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া স্থিরচিত্রের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তাদের সম্পর্ক মোটেও জোড়া লাগেনি।