জুলাইয়ে অপরিশোধিত ইস্পাতের বৈশ্বিক উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টনে। ওয়ার্ল্ড স্টিল অ্যাসোসিয়েশন সম্প্রতি মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশগুলোয় উৎপাদন লক্ষণীয় মাত্রায় বেড়েছে। এসব অঞ্চলে জুলাইয়ে ১১ কোটি ৯৯ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। আফ্রিকার দেশগুলোয় জুলাইয়ে ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে ১৪ লাখ টন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে ২৬ দশমিক ১ শতাংশ।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় গত মাসে উৎপাদন ৭ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ টনে। অন্যদিকে নন-ইউরোপিয়ান দেশগুলোয় উৎপাদনের ধারা ছিল ইতিবাচক। এসব দেশে জুলাইয়ে ৩৬ লাখ টন অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন হয়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় গত মাসে ইস্পাত উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ টনে। একইভাবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোয় ৯৪ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ কম।
কমনওয়েলথ অব ইনডিপেনডেন্ট স্টেটসভুক্ত দেশগুলোয় উৎপাদন হয়েছে ৭৪ লাখ টন ইস্পাত, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। তবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোয় উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। জুলাইয়ে এসব দেশে ৩৪ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৪ শতাংশ কম।