ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত বাণিজ্য বাড়াতে ভারত আরও ৭টি স্থলবন্দর গড়ে তোলার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেন, উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দরসমূহে কানেক্টিভিটির পাশাপাশি আধুনিকায়নের ওপর জোর দিতে হবে।
এছাড়া বাণিজ্য সহজীকরণ করতে আমদানি-রপ্তানি পণ্য কীভাবে কমন টেস্টিং ফ্যাসিলিটির আওতায় আনা যায় সে বিষয়ে কাজ করতে হবে।
ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অন্যতম বাণিজ্য সহযোগী বাংলাদেশ। বিশেষ করে চট্টগ্রামের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সুবিধা আরও বাড়াতে হবে। তিনি চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের একক এবং যৌথ বিনিয়োগের জন্য চেম্বার টু চেম্বার যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শনিবার চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সিনিয়র সহ-সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন, পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মো. রকিবুর রহমান (টুটুল) ও নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন ও নবনির্বাচিত পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বক্তব্য রাখেন। অন্যদের মধ্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন, চেম্বার পরিচালক মো. অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, নবনির্বাচিত পরিচালক মাহবুবুল হক মিয়াসহ হাই কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে মাহবুবুল আলম বলেন, ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। দুদেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ্বে উদাহরণ তৈরি করেছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রুপিতে বিনিময় আন্তঃবাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এছাড়া ভারত ৭টি প্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানি কোটায় বাংলাদেশকে রাখায় বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন হলো প্রস্তাবিত কমপ্রিহেন্সিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ)। এটি উভয় দেশের জন্য গেইম চেঞ্জার হবে। যার মাধ্যমে দুদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।