কূটনৈতিক সাফল্যে উজ্জ্বল বাংলাদেশ | তাপস রায়হান
সহজেই বলা যায়, এক ছাদের নিচে বিশ্বের সব বাঘা বাঘা নেতাকে পাওয়া গেল। যা নিকট অতীতে বাংলাদেশের জন্য বিরল ঘটনা। সার্বিকভাবে বললে, এ সম্মেলনে বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি এক ধরনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি
ভুলে গেলে চলবে না, বাংলাদেশ কিন্তু জি-২০ গ্রুপের সদস্য নয়। তবু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ আমন্ত্রণে, ৯-১০ সেপ্টেম্বর ২ দিনব্যাপী সেই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের একমাত্র অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাজির হয়ে নিজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের প্রথম রাতে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দেওয়া নৈশভোজেও প্রধানমন্ত্রী পৃথিবীর অধিকাংশ শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আন্তরিক পরিবেশে কথা বলেন। আমেরিকার রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে সম্মান জানিয়েছেন, তা কূটনৈতিক বিজয় হিসেবেই চিহ্নিত হবে। পাশাপাশি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইয়েওল এবং আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজের সঙ্গে সাইডলাইনে বৈঠক করেন।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
কূটনৈতিক সক্ষমতা নাকি দলীয় রাজনীতি | সাঈদ জুবেরী
আমরা কেবল নিজেদের ময়লা লুকিয়ে সেলফির মতো পরিস্কার সেজেছি। মনে রাখা দরকার যে, দলীয় স্বার্থ ও প্রচারে বিরোধী মত মোকাবিলার 'ভিলেজ পলিটিকস' দিয়ে কূটনৈতিক সক্ষমতা অর্জিত হয় না
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে বিদেশি বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগীদের দৌড়ঝাঁপ নতুন নয়। তবে এবারের বিষয়টি নজিরবিহীন বলা যায়। কারণ বিশ্বের বিবদমান পরাশক্তিগুলো এবার পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান জানানই কেবল দেয়নি তারা নিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে ভিসানীতিও ঘোষণা করেছে। এই দুই মার্কিন পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। অন্যদিকে চীন, রাশিয়া ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে নানান উন্নয়ন প্রকল্প চালু রাখার পাশাপাশি পশ্চিমা শিবিরের অবস্থানের পাল্টা অবস্থানের কথা বিবৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। চলমান এই বাস্তবতায় সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অংশগ্রহণ ও তার আগে-পরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ফরাসি প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এর আগে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসনের প্রশ্নে বিদেশি বিশেষ করে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা শক্তি এবং জাতিসংঘের মতো নানা আন্তর্জাতিক সংস্থার অবস্থান অনেকটাই বিরোধীদের অনুকূলে ছিল। সরকার বিপাকে পড়েছে বলে মনে হচ্ছিল।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে