সেপ্টেম্বর মাসেও বৈধপথে ও ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে গতি বাড়েনি। চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে মাত্র ৭৩ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। দৈনিক এসেছে ৪ কোটি ৯৩ লাখ ৩২ হাজার মার্কিন ডলার। এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৪৮ কোটি ডলার, যা আগের মাসের চেয়ে প্রায় ১১ কোটি ডলার কম হবে। গতকাল রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত আগস্টে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে সাড়ে ২১ শতাংশ। চলতি মাসেও সেই ধারা অব্যাহত আছে। প্রতিবছরই সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স কিছু কম আসে। শুধু ২০২১ সালের আগস্ট মাসে এর ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছিল। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে দুই বিলিয়নেরও বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল। আর গত বছরের সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ডলার। যদিও চলতি সেপ্টেম্বরে এর চেয়েও কম রেমিট্যান্স আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মাসের প্রথম ১৫ দিনে যে রেমিট্যান্স দেশে এসেছে তার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬৫ কোটি ৭ লাখ ১০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার এবং আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এক মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ৩৭ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার।
বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।