ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের পাঁচ জয়ের দুটি বিশ্বকাপে

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত  ২৪ ওয়ানডের পাঁচটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। এই পাঁচ ওয়ানডের দুটি ছিল বিশ^কাপে, ২০১১ আর ২০১৫। মুখোমুখি সর্বশেষ ওয়ানডেতেও ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ব্রিস্টল, ২০১০ : ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ৫ রানে হারায় ইংল্যান্ডকে। ইংলিশদের বিপক্ষে সেটিই বাংলাদেশের প্রথম জয়। তাও আবার তাদেরই মাঠে। ব্রিস্টলে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ তুলেছিল ৭ উইকেটে ২৩৬ রান। ইমরুল কায়েস ১১১ বলে ৭৬, জহুরুল অমি ৪০, মাহমুদউল্লাহর ২৪ ও মাশরাফী ২২ রান করেন। জনাথন ট্রটের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিল ইংল্যান্ড। ইনিংসের শেষ ওভারে তাকে ফিরিয়ে দলকে জয় এনে দেন শফিউল ইসলাম। ব্যাট হাতে ২২ রান ও দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

চট্টগ্রাম, ২০১১ : ২০১১ বিশ্বকাপে বি গ্রুপের ম্যাচ চট্টগ্রামে। টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ইংল্যান্ড ২২৫ রানে অলআউট হয়। তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস জুটিতে আসে ৫২ রান। তামিম (৩৮) ফিরলে জুটি ভাঙে। ইমরুলের ৬০ ও সাকিবের ৩২ রানের পরও একপর্যায়ে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১৬৯/৮। মাহমুদউল্লাহ ৪২ বলে ২১, শফিউল ২৪ বলে ২৪ রান করে জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।

অ্যাডিলেড, ২০১৫ : আবারও বিশ্বকাপ মঞ্চে মুখোমুখি দু’দল। টস হেরে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ তোলে ৭ উইকেটে ২৭৫ রান। চারে নেমে মাহমুদউল্লাহ করেন ১০৩ রান। যা  বিশ্বকাপে কোনো বাংলাদেশির প্রথম সেঞ্চুরি। মুশফিকুর রহিম করেন ৮৯। জবাবে ইয়ান বেলের ৬৩, জস বাটলারের ৬৫, ক্রিস ওকসের অপরাজিত ৪২ জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায় ইংলিশদের। ১২ বলে প্রয়োজন ১৬ রান। কিন্তু রুবেল ৩ বলে ২ উইকেট নিয়ে জিতিয়ে দেন বাংলাদেশকে। তিনি ৪ উইকেট পেলেও ম্যাচসেরা হন মাহমুদউল্লাহ।

মিরপুর, ২০১৬ : মিরপুরে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয়টিতে বাংলাদেশ ৩৪ রানে হারায় ইংল্যান্ডকে। আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ তোলে ২৩৮/৮। মাহমুদউল্লাহ খেলেন ৭৫ রানের ইনিংস। অধিনায়ক মাশরাফী করেন ২৯ বলে ৪৪ রান। বল হাতেও জ্বলে ওঠেন মাশরাফী। ২৯ রানে নেন ৪ উইকেট। ম্যাচসেরা হন। এ ছাড়া তাসকিন নেন ৩ উইকেট।

চট্টগ্রাম, ২০২৩ : বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। তাদের এ বছরই হারিয়েছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষটিতে বাংলাদেশ ৫০ রানে হারায় বাটলারের ইংল্যান্ডকে। টস জিতে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ তিন ফিফটিতে তোলে ২৪৬ রান। সাকিব আল হাসান ৭৫, মুশফিকুর রহিম ৭০ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৩ রান করেন। জবাব দিতে নেমে সাকিবের ঘূর্ণিতে ইংল্যান্ড অলআউট হয় ১৯৬তে। সাকিব ৩৫ রানে নেন ৪ উইকেট। ম্যাচসেরাও হন তিনি।