ফাটা গোড়ালির কারণে মাঝে মাঝে জুতা পরতে অস্বস্তি হয়। থাকে চামড়া কেটে যাওয়ার ভয়। যখন গোড়ালির চারপাশের ত্বক পুরু এবং শুষ্ক হয়ে যায়, গোড়ালি ফাটতে শুরু করে। শীতকালে এই সমস্যা বেড়ে যায় আরও বহু গুণ। এগুলো মোকাবিলার সহজ উপায় গোড়ালি ময়েশ্চারাইজড রাখা।
রাতে ঘুমাবার আগে হালকা গরম পানিতে পা কুড়ি মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পরিষ্কার করুন ব্রাশ দিয়ে। পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। তারপরে ময়েশ্চারাইজার লাগান, মোজা পরে ঘুমাতে যান। সকাল হওয়ার পর আপনি আপনার গোড়ালির পার্থক্য লক্ষ্য করবেন। এটি নিয়মিত করলে কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার ফাটা গোড়ালি হয়ে উঠবে নরম ও সুন্দর।
এছাড়াও ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা এবং গ্লিসারিন। একটি পাত্রে অ্যালোভেরা জেল নিন এবং এতে এক চামচ গ্লিসারিন যোগ করুন, মেশান এবং পেস্ট তৈরি করুন। হালকা গরম পানিতে আপনার পা পরিষ্কার করুন এবং পেস্টটি ফাটা গোড়ালিতে লাগান। এটি গোড়ালির আর্দ্রতা ধরে রাখবে এবং ফাটা আটকাবে।
সৌন্দর্য বাড়াবে ৭ উপায়
> ঘুমানোর সময় সুতির মোজা পরুন। এটি পায়ের ত্বককে শ্বাস নিতে দেয় এবং ময়শ্চারাইজ করে।
> প্রতিদিন গোসল করার পর তোয়ালে দিয়ে গোড়ালি শুকিয়ে নিন। তারপর ময়শ্চারাইজ করুন।
> প্রচুর পানি পান করুন যাতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
> নারকেল তেল এবং পেট্রোলিয়াম জেলিও লাগাতে পারেন। এগুলো ভালো ময়েশ্চারাইজিং এজেন্ট। এটি দ্রুত নিরাময় করে এবং ফাটা গোড়ালি নিরাময় করে।
> আজকাল পায়ের খোসার মাস্ক পাওয়া যায়, যা ফাটা গোড়ালিতে লাগিয়ে কিছু সময়ের জন্য রেখে দেওয়া হয়। এগুলো গোড়ালির মরা চামড়াও দূর করে।
> তরল ব্যান্ডেজ ফাটা গোড়ালির ওপর প্রয়োগ করা হয়, যা একটি স্প্রের মতো। এগুলো ফাটলের ওপর একটি সিলমোহর তৈরি করে এবং এটিকে ব্যাকটেরিয়া এবং ময়লা থেকে রক্ষা করে, যা ব্যথাও কমায়।