মিরপুরে বিক্ষোভরত পোশাক শ্রমিকদের দমনে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে যুবলীগ নেতা

ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরের পূবরী সিনেমা হল এলাকায় বিক্ষোভ করেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতামর্কীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এসময় আওলাদ হোসেন ওরফে লাক্কু নামের যুবলীগের এক নেতাকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা গেছে।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পল্লবীর অ্যাপোলো নিটওয়্যার নামের একটি কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। মিরপুর অঞ্চলের বিভিন্ন পোশাক কারখানার বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা দিনভর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, আওলাদ হোসেন স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী। তিনি মিরপুর অঞ্চলের বিভিন্ন পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন। আওলাদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে যুবলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, আওলাদ হোসেন তাদের কমিটিতে সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে আছেন। তবে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন না। তাকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে। কারণ, সে সন্ত্রাসী ও খারাপ লোক এবং ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওলাদ দাবি করেন, সকালে পোশাককর্মীদের সঙ্গে যখন ঝামেলা হয়, তখন তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। তিনি অফিসে ছিলেন। তবে তার লাইসেন্স করা একটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে স্বীকার করে আওলাদ হোসেন বলেন, সেই অস্ত্র তিনি এভাবে জনসমক্ষে বের করতে পারেন না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওলাদ ওই আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েকটি গুলিও ছুড়েছেন। তবে তার ছোড়া গুলি কারও শরীরে বিদ্ধ হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, পোশাক কারখানার কর্মীদের ওপর গুলি ছোড়া হয়েছে, এমন কোনো তথ্য তিনি জানেন না।