ঢাকা শহরের ৬০ শতাংশ মানুষ পায়ে হেঁটে যাতায়াত করেন। আর ৫-৭ শতাংশ মানুষের ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে। তা সত্ত্বেও নগর যাতায়াত পরিকল্পনায় ব্যক্তিগত গাড়িকেন্দ্রিক বিভিন্ন প্রকল্পে গৃহীত ও অবকাঠামো নির্মিত হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে বিশ্ব নগর দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের সামনে আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে বক্তারা এসব কথা জানান।
নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শহর গড়ে তোলা এবং অধিকাংশ মানুষের যাতায়াত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পথচারী ও সাইকেলবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের কোনো বিকল্প নেই; তাই এক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। সে লক্ষ্যে ২০২৩ সালে বিশ্ব নগর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘Financing sustainable urban future
for all’।
বিশ্ব নগর দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি), প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠন, গ্রিন ভয়েজ, রায়েরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল, আলী হোসেন বালিকা বিদ্যালয়, ধানম-ি কচিকণ্ঠ হাই স্কুল, ছায়াতল বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিইং বাংলাদেশ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।
সচেতনতামূলক এই কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী। ওই সংস্থার সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মিঠুনের সঞ্চালনায় আয়োজনে বক্তৃতা করেন সংস্থার প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আকতার, ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এম এ মান্নান মনির, ধানম-ি কচিকণ্ঠ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এইচ এম নুরুল ইসলাম, রায়েরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. কাউসার, আলী হোসেন বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিউটন, ছায়াতল বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবক মো. ইমন।