পাকিস্তানি ক্রিকেটারেরই প্রিয় খাদ্য বিরিয়ানি, এমনটা শোনা যায় প্রায়ই। কিন্তু এই খাবার খেলোয়াড়দের ফিটনেসের জন্য ক্ষতিকর। তাই বিরিয়ানি খাওয়া থেকে তাদেরকে বিরত থাকতে বলা হয়। কিন্তু বিশ্বকাপে নাকি ফিটনেস নিয়ে কোনো চিন্তা না করেই প্রচুর বিরিয়ানি খাচ্ছেন বাবর আজমরা, পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার বলেছেন এমন।
বাংলাদেশ ম্যাচের আগেও নৈশভোজের জন্য কলকাতার বিখ্যাত জম জম রেস্টুরেন্ট থেকে বিরিয়ানি, চাপ ও কাবাব অর্ডার করেন বাবররা। টানা চার ম্যাচ হারের পর তাদের এমন চাহিদা ভালো চোখে দেখার লোক খুব কমই ছিল। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে এর কোনো প্রভাবই পড়েনি। বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেছে পাকিস্তান।
বিরিয়ানি খাওয়া নিয়ে সমালোচনাকারীদের একহাত নিলেন ইফতিখার আহমেদ। তার ভাষায়, ‘যদি পাকিস্তান দল জিতে, তখন তারা বলে না ক্রিকেটাররা বিরিয়ানি খায়। কিন্তু যখন আমরা হারি, তখন কেন আমাদের বিরিয়ানি খাওয়া নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। এমনটা নয় যে বিরিয়ানি খাওয়ার কারণেই আমরা হারছি।’
ফিটনেস নিয়ে সব পেশাদার ক্রিকেটারই সচেতন বলে দাবি করেছেন ইফতিখার, ‘প্রত্যেক পেশাদার ক্রিকেটারই নিজের ফিটনেস কোন অবস্থায় আছে সেটা পরখ করে দেখে…’
কদিন আগেই বাবর-ইফতিখারদের ফিটনেস নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওয়াসিম আকরাম। কিংবদন্তি এই পেসার বলেন, ‘পাকিস্তানের ফিল্ডিংয়ের দিকে তাকান, ফিটনেস লেভেলের দিকে তাকান। মনে হচ্ছে, তারা প্রতিদিন আট কেজি করে খাসির গোশত খাচ্ছে।’
ফিল্ডিং নিয়ে পাকিস্তানের এতো সমালোচনা হলেও পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। ক্যাচ নেওয়ার ক্ষেত্রে এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে সফল দল তারা। বাকিদের পেছনে ফেলে তাদের সফলতার হার ৮৬ শতাংশ।
আগামীকাল বেঙ্গালুরুতে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান।