নারী চিকিৎসককে তুলে নিয়ে বিস্ফোরক মামলা

রাজশাহীর সুপরিচিত স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফাতেমা সিদ্দিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরীর বড়বনগ্রাম এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

ডা. ফাতেমা সিদ্দিকার জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে উল্লেখ করে আরএমপির শাহমখদুম থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তার (ফাতেমা সিদ্দিকা) জামায়াত সংশ্লিষ্টতা ও জামায়াত নেতাকর্মীদের সহযোগিতার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া চলতি বছরের মে মাসে হওয়া বিস্ফোরক আইনের একটি মামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ফাতেমা সিদ্দিকাকে।

রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুরে মাদারলান্ড ইনফার্টিলিটি সেন্টার নামে একটি হাসপাতাল রয়েছে ডা. ফাতেমা সিদ্দিকার। রাজশাহীতে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে নাম ডাক রয়েছে তার। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

গত শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও শাহ মখদুম থানা-পুলিশের একটি দল ফাতেমা সিদ্দিকার বাড়িতে যায়। সন্ধ্যায় পুলিশের গাড়িতে করে তাকে থানায় নেওয়া হয়। অভিযানের অংশ নেওয়া পুলিশ কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে চাননি।

তবে ওই দিন সন্ধ্যায় আরএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জামিরুল ইসলাম বলেন, ডা. ফাতেমা সিদ্দিকাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কী তথ্য পাওয়া যাবে তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।