নির্বাচন কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে তার সব বিধান সংবিধানে সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘আগামীতে যা কিছু হবে, সংবিধান ও আইনের মধ্যে থেকেই হতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে দেশ আবারও পিছিয়ে পড়বে।’ গতকাল শনিবার ‘জাতীয় সংবিধান দিবস ২০২৩’ উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে এই সেমিনার হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী।
সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস এবং এর তাৎপর্য তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন। বাঙালি জাতি স্বাধীনতার মাত্র ১০ মাসের মাথায় একটি গণমুখী ও বিশ^মানের সংবিধান পেলেও এর পেছনের ইতিহাস অনেক বিস্তৃত ও কণ্টকিত। তিনি বলেন, একটি গণমুখী সংবিধান পাওয়ার জন্য তৎকালীন পাকিস্তান আমলে সামরিক ও স্বৈর শাসকদের বিরুদ্ধে অনেক আন্দোলন করতে হয়েছে, অনেক রক্ত দিতে হয়েছে।
আনিসুল হক বলেন, ‘বিগত অর্ধশত বছরের অভিজ্ঞতা বলে, যখনই বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত সাংবিধানিক শাসন থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তখনই দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে। দেশে অরাজক ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং মৌলিক মানবাধিকার ভুলুণ্ঠিত এবং দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে।’