নৃত্যে যেমন পারদর্শী, তেমনি অভিনয়েও পটু। একটা সময় নাটকে নিয়মিত দেখা গেলেও মাঝে বিরতিতে চলে যান। বড়পর্দায়ও অভিষেক ঘটে তার। কবরীর ‘আয়না’ দিয়ে শুরু, এরপর খেলাঘর, চন্দ্রগ্রহণ, প্রিয়তমেষু, বৃহন্নলা ও ষড়রিপু সিনেমায় অভিনয় করেন। এর পর আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি তাকে। বলছিলাম অভিনেত্রী সোহানা সাবার কথা। বছর কয়েল পর তিনি ফের পর্দায় এলেন ‘অসম্ভব’ সিনেমা নিয়ে।
গেল শুক্রবার দেশের ২২ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে প্রেম-সংঘাত, মান-অভিমান, নিজস্ব সংস্কৃতি এবং দেশপ্রেমে ঠাঁসা বুনোট গল্পের ‘অসম্ভব’। মুক্তির পর কেমন সাড়া পাচ্ছেন, এমন প্রশ্নে দেশ রূপান্তরকে সোহানা সাবা বলেন, ‘ভীষণ ভালো সাড়া পাচ্ছি। কাজটা নিয়ে সবাই বেশ প্রশংসা করছেন। ‘অসম্ভব’ সবার সিনেমা হয়ে উঠেছে।’
সিনেমাটি থেকে পাওয়া দর্শক প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘বেশ কয়েকটা শো যখন দেখতে গিয়েছি সেখানে সরাসরি দর্শকদের প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। তারা আমাকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছেন, বিশেষ করে যারা মধ্যবয়সী নারী দর্শক। কারণ গল্পে আমার চরিত্রটি দেখে তারা এত বেশি এক্সাইটেড ছিল যে বিশ্বাস করতে পারছিল না। আমাকে এবং আমার চরিত্র তাদের ভীষণ ভালো লেগেছে। সিনেমাটিকে তারা বেশ আদরের সঙ্গে গ্রহণ করেছে, যেটা আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে।’
‘দেশে এখন অবরোধ চলছে। এটা ছাড়াও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এখন আমাদেরকে যেতে হচ্ছে। সিনেমাটি নিয়ে আমাদের একটাই প্রত্যাশা-দর্শকরা সিনেমাটি হলে এসে দেখুক। মুক্তির তিন দিন হলো, তারপরও বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি, তবে সেটা আরও ভালো হতে পারতো। দর্শকরা যে এখন হল পর্যন্ত আসবে এটা এখন একটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জটাই আমরা একটু বেশি ফেইস করছি এখন।’-যোগ করেন ‘চন্দরগ্রহণ’ খ্যাত এ অভিনেত্রী।
‘অসম্ভব’ নির্মাণ করেছেন অরুণা বিশ্বাস। এতে সোহানা সাবা ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন গাজী আব্দুন নূর, আবুল হায়াত, অরুণা বিশ্বাস, শতাব্দী ওয়াদুদ, শাহেদ শরীফ খান, জিনাত শানু স্বাগতা, শহীদ কাদরী, নাফিস আহমেদ এবং একটি বিশেষ চরিত্রে স্বনামে যাত্রা সম্রাজ্ঞী জ্যোৎস্না বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী মাসুম আজিজ, আল মামুন ও জ্যোতিকা জ্যোতি প্রমুখ।