পঞ্চগড় জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ম বহির্ভূতভাবে শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মী নিয়োগ দিয়ে একটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত দুই মাসে পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, অফিস সহকারী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ বিভিন্ন পদে শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ হয়েছে। আর এর সঙ্গে যুক্ত আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটি ও শিক্ষা কর্মকর্তারা। এমনকি স্থানীয় সংসদ সদস্য সন্তুষ্ট হলেই চাকরি পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি গোপনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চাকরিপ্রত্যাশী সম্পর্কে জানিয়ে দেয়। আর তাদের ইচ্ছামতো এসব নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের পর তারা সম্মানি পান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘নিয়োগের আগে এক ব্যক্তির কাছে টাকার বান্ডিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এখানে আমাদের কিছু বলার সুযোগ নেই। চাইলেও হয়রানির ভয়ে কিছু বলতে পারি না।’
পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নিয়োগে কোনো অর্থ নেওয়া হয় না। আমার সঙ্গে নিয়োগ বিষয়ে কারো সঙ্গে কোনো লেনদেন হয়নি।’
তবে পঞ্চগড় জেলা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিষয়ে নানা রকম অনিয়মের অভিযোগ আসছে। তদন্ত করে কোনো কোনো অভিযোগ নিস্পত্তি করা হয়েছে।’