আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ৮টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ঐক্যজোট। আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান জোটের নেতারা।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতৃত্বে জোটের মধ্যে থাকা অন্য দলগুলো হলো বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশ, নেজামে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলন, বাংলাদেশ ইসলামিক লিবারেল পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম জনতা পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক ডেমোক্রেটিক ফোরাম, বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সম্মিলিত ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব ও ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাড. খায়রুল আহসান বলেন, আমাদের লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো স্বাধীন বাংলাদেশকে নিয়ে দেশে-বিদেশে চলছে নানা ষড়যন্ত্র। এই দুঃসময়ে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমতো রক্ষায় সংবিধান ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে আমরা সম্মিলিত ইসলামী ঐক্যজোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার স্বীদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি।
বিএনপিসহ সব নিবন্ধিত দলকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, দেশকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করার স্বার্থে আমাদের সবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ জরুরি। বিএনপিসহ সব নিবন্ধিত দলকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তা নাহলে আপনারা নির্বাচনী ট্রেন মিস করবেন। মনে রাখকে হবে, নির্বাচনও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা দলগুলোর নিবন্ধন বাতিল করার দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কোনো নিবন্ধিত দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন তালিকায় সে সকল দলের সংযুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবে দেখতে হবে। একই সাথে আমরা নির্বাচন তফসিল কমপক্ষে ১০ দিন পেছানোর দাবি জানাচ্ছি। যাতে করে এখনও যারা নির্বাচনে আসতে পারেননি তারা ভেবে দেখতে পারে এবং প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল করা সহজ হয়।
সম্মিলিত ইসলামী ঐক্যজোট ২০০ আসনে প্রার্থী দিতে প্রস্তুত জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ১০ দিন বৃদ্ধি করে তাহলে আমরা ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে পারব। বর্তমান নির্বাচন কমিশন স্বাধীন, সুষ্ঠু ও তাদের অঙ্গীকার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে অঙ্গীকারবন্ধ।
বাংলাদেশ ইসলামিক লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা আতাউর রহমান আতিকীর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নেজামে ইসলাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা হারিছুল হক, বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলনের চেয়ারম্যান মাওলানা ইয়ামিন হোসাইন আজমী, বাংলাদেশ মুসলিম জনতা পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামিক ডেমোক্রেটিক ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।