ব্যাটে ফিলিস্তিনের পতাকা ইস্যুতে আজম খানের অর্থ শাস্তি মওকুফ করল পিসিবি

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হয় তুমুল। এমনকি ক্রীড়াজগতেও দেখা যায় এর প্রভাব। ফিলিস্তিনে নির্যাতিত মানুষদের কথা বলতে শোনা যায় ক্রীড়াবিদদের। এবার ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন আজম খান। ব্যাটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির পতাকা লাগানোয় শাস্তি দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের এই ব্যাটসম্যানকে। ম্যাচ ফি’র পঞ্চাশ শতাংশ জরিমানা করা হয় আজম খানকে। তবে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে, এ অর্থ শাস্তি মওকুফের ঘোষণা দেয় পিসিবি। অবশ্য মওকুফের কারণ সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি সেই বিবৃতিতে।

পাকিস্তানের ন্যাশনাল টি–টোয়েন্টি কাপে ঘটে এই কাণ্ড। করাচি হোয়াইটস বনাম লাহোর ব্লুজের ম্যাচে রবিবার করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ব্যাটে ফিলিস্তিনের পতাকার স্টিকার লাগিয়ে মাঠে নামেন আজম। এটি আইসিসির আইনশৃঙ্খলা–বহির্ভূত হওয়ার কারণে ম্যাচ ফি'র ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয় তাকে।

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মঈন খানের ছেলে আজমকে এদিন ব্যাটে ফিলিস্তিনের পতাকা না লাগানোর নির্দেশ দেন আম্পায়াররা। সেই নির্দেশনা মানেননি আজম। সেভাবেই খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এ কারণেই বড় অঙ্কের জরিমানা গুণতে হচ্ছে তাকে।

পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ম্যাচ রেফারিকে আজম এরই মাঝে জানিয়েছেন যে তার সবগুলো ব্যাটেই একই রকমের স্টিকার লাগানো আছে। আইসিসির নিয়মে আছে, জামাকাপড় বা অন্যান্য সরঞ্জামে খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক, ধর্মীয় এবং বর্ণবাদী প্রচারণা করা যাবে না। পিসিবির কোড অফ কন্ডাক্টের আর্টিকেল ২.৪ বিধি ভঙ্গ করেন আজম।

এই ব্যাপারে সরাসরি নিষেধাজ্ঞাও দেয়া আছে। আর এ কারণেই আজমকে কড়া শাস্তি দিতে বাধ্য হয়েছে পিসিবি। আজমের শাস্তি অবশ্য ভালোভাবে নেয়নি পাকিস্তানের মানুষজন। ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে তারা।

এর আগে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো সেঞ্চুরি করে সেটা ফিলিস্তিনের মানুষদের উৎসর্গ করেছিলেন পাকিস্তানের কিপার-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান। এরপর রিজওয়ানের পক্ষে–বিপক্ষে কথা হয়েছে অনেক। অবশ্য তাকে এই নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়নি।