দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ১৪ জন। এর মধ্যে একই পরিবারে স্বামী-স্ত্রী এবং বাবা-ছেলের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারা হলেন পারভিন আক্তার ও তার স্বামী সাবেক এমপি হাজি রহিম উল্যাহ এবং নৌকা মনোনীত প্রার্থী আবুল বাশারের ছেলে ইসতিয়াক আহমদ সৈকত।
আজ সোমবার (০৪ ডিসেম্বর) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার শাহুনা আক্তার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন। ফেনী-৩ আসন ১৪ জনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই মধ্যে সাতজনের মনোনয়ন বৈধ এবং সাতজনের অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
যাদের মনোনয়ন বৈধ তারা হলেন আওয়ামী লীগের মো. আবুল বাশার, জাতীয় পার্টির লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী রহিম উল্যাহ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির তবারক হোসেন, জাকের পার্টির আবুল হোসেন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবু নাসির, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের নিজাম উদ্দিন।
যাদের বাতিল হয়েছে তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসতিয়াক আহমেদ সৈকত, পারভীন আক্তার, আবদুল কাশেম আজাদ, আনোয়ারুল কবির, জেড এম কামরুল আনাম, তৃণমূল বিএনপির আজিম উদ্দিন আহমেদ ও সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের জোবায়ের ইবনে সুফিয়ান।
একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী মনোনয়ন লড়াইয়ে সাবেক এমপি রহিম উল্যার মনোনয়ন বৈধ ও তার স্ত্রী পারভিন আক্তারের মনোনয়ন অবৈধ (বাতিল) ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার। একই সাথে বাবা-ছেলের লড়াইয়ে বাবা আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল বাশারের মনোনয়ন বৈধ ও তার ছেলে ইসতিয়াক আহমদ সৈকতের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী পারভিন আক্তার ও ইসতিয়াক আহমদের প্রদত্ত ভোটারের তথ্য গরমিল থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।