সংসদ সদস্য হতে জেলা ও উপজেলা পরিষদের ৬০ চেয়ারম্যান পদত্যাগ করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে প্রায় ১৪ জন মনোনয়ন পাননি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বেশিরভাগই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়ার আশা করেছিলেন। না পেয়ে স্বতন্ত্র বা অন্য দল থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন। ৬০ জনের মধ্যে ১৮ জন স্বতন্ত্র, আওয়ামী লীগ থেকে ১৫ জন, জাতীয় পার্টি থেকে ১ এবং বিএনএম থেকে ১ জন মনোনয়ন পেয়েছেন।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরকার গত ২৭ নভেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। তিনি রংপুর-৫ মিঠাপুকুর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে একটি মামলার তথ্য উল্লেখ না করার কারণে তার মনোনয়ন স্থগিত হয়। তিনি ৩৭ বছর থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুই দফা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।
এ ছাড়া যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম, বরিশালের বাকেরগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুল আলম, গাইবান্ধা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ আকরাম হোসেন, খুলনার ফুলতলার উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হেসেন, মেহেরপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ইয়ারুল ইসলাম, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার রুহুল আমিন, কক্সবাজারের রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কাবির মিয়া, রাজবাড়ী সদরের ইমদাদুল হক বিশ^াস, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসিরুল ইসলাম খান মনোনয়ন চেয়ে আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন তা অবৈধ ঘোষণা করে।
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে সারা দেশে প্রার্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল সোমবার ১ হাজার ৯৮৫ জন প্রার্থী বৈধ ও ৭৩১ জন প্রার্থী অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।