শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ

আমাদের দেশে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশের সবচেয়ে মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে স্বাধীন বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দেওয়ার দুরভিসন্ধি নিয়ে। ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এই বর্বরতা ও হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। এ সময়ে বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি থেকে ধরে এনে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে হত্যা করে গণসমাধি দেয়। ঢাকার অদূরে রায়ের বাজারের গণসমাধিতে ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, শহীদুল্লা কায়সার, ডা. ফজলে রাব্বীসহ এদেশের প্রথম সারির অনেক বুদ্ধিজীবীর ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া যায়। তাদের স্মৃতিকে ধরে রাখতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সন্তানদের সংগঠন প্রজন্ম ৭১-এর সহায়তায় রায়ের বাজারে স্মৃতিসৌধ তৈরির প্রাথমিক প্রস্তাবনা আনা হয়েছিল। ১৯৯১ সালে প্রজন্ম ৭১ একটি অস্থায়ী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তী সময়ে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ এবং স্থপতি জামি-আল-শফি’র নকশায় ১৯৯৬ সালে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে শেষ হয়। ১৫.২৪ মিটার ী ১৫.২৪ মিটার বর্গক্ষেত্রের একটি গ্রিড সমগ্র ৩.৫১ একর এলাকাটিকে বিভক্ত করেছে। প্রধান প্ল্যাটফর্মটি রাস্তায় ওপরে ২.৪৪ মিটার পর্যন্ত উত্থাপিত হয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন