মূল্য তালিকায় লেখা পেঁয়াজ নেই, গোডাউনে মিলল বস্তা বস্তা

দোকানের বাইরে টাঙানো মূল্য তালিকায় পেঁয়াজ নেই, কিন্তু গোডাউনে অভিযান চালিয়ে পাওয়া যাচ্ছে বস্তার পর বস্তা পেঁয়াজ। চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে এমন দৃশ্য মিলছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে। রবিবার পাহাড়তলী বাজারে এবং আগের দিন শনিবার খাতুনগঞ্জে ধরা পড়েছে এমন ঘটনা। 

ভারতীয় পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার পর চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার অনেকটা পেঁয়াজ শূন্য হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করে বাড়তি মুনাফা হাতিয়ে নিতে আড়তে পেঁয়াজ না থাকার ঘোষণা দিলেও গোডাউনে জমিয়ে রাখছে পেঁয়াজের বস্তা। 

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্লাহ দেশ রূপান্তরকে জানান, পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রবিবার চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী বাজারে অভিযানে যায় ভোক্তা অধিকারের টিম। সেখানে মেসার্স বাছামিয়া সওদাগর নামক দোকানের বাইরে সাঁটানো মূল্য তালিকায় লিখে রাখা হয়েছে ‘পেঁয়াজ নেই’। অভিযান টিম দোকানের পাশে তাদের গোডাউনে ঢুকে খুঁজে পায় মজুদ করে রাখা ৩৬ বস্তা পেঁয়াজ। পরে তাৎক্ষণিকভাবে পেঁয়াজগুলো আগের দিনের মূল্যে বিক্রির নির্দেশনা দেন ফয়েজ উল্লাহ। একই সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় কালু শাহ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শনিবার খাতুনগঞ্জে অভিযানে গিয়েও একই অবস্থা দেখতে পায় অভিযান টিম। সেখানে একটি আড়তে পেঁয়াজ নেই বলে জানালেও তাদের গোডাউনে ৪৯ বস্তা পেঁয়াজ পাওয়া যায়। 

এদিকে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে রবিবার খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাই এলাকায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।