চট্টগ্রাম-১৫

নদভী-মোতালেব মাঠে, বাকিরা সব ঘুমে

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় মাঠ গরম রেখেছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা নিজাম উদ্দিন নদভী ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও  ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ মোতালেব।

দ্বাদশ নির্বাচনে এ দু'জন ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আরও ৫ জন প্রার্থী থাকলেও নির্বাচনী মাঠে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মাঠে-ময়দানে, প্রচার-প্রচারণায় তাদের দেখা যাচ্ছে না যেনো সবাই ঘুমিয়ে আছেন।

অন্য প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির মো. ছালেম (লাঙল), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. সোলাইমান কাসেমী (হাতঘড়ি), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ আলী হোসাইন (মোমবাতি), ইসলামী ঐক্যজোটের মো. হারুন (মিনার) এবং মুক্তিজোটের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন (ছড়ি)।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বাইরে যারা দাঁড়িয়েছেন তাদের প্রচার-প্রচারণা বা গণসংযোগ নেই। এমনকি নির্বাচনী অফিসও কোথাও চোখে পড়েনি। এই প্রার্থীদের সম্পর্কে দুই উপজেলার মানুষের ধারণা নেই বললেই চলে। তাদের নীরবতা দেখে অনেকে ভোটার মনে করছেন তারা এমনিতেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। মূলত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকা ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে।

ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. আলী হোছাইন বলেন, আমরা কিছু পোস্টার এলাকায় লাগিয়েছি তবে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে তা ছিঁড়ে ফেলেছে। আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যেই আমাদের প্রচার-প্রচারণা বাড়াব।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ছালেম জানান, প্রচার-প্রচারণা শুরু করে দিয়েছি। আশা করছি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। আমরাও স্বতন্ত্র ও নৌকার প্রার্থীর মতো গণসংযোগ শুরু করব।

কল্যাণ পার্টির প্রার্থী মো. সোলাইমান কাসেমী জানান, মাঠ পর্যায়ে আমার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। আগামীতে প্রচার-প্রচারণা আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে সাতকানিয়াতে আমরা সন্ত্রাসের আশংকা করছি। আমি মাঠে-ঘাটে গণসংযোগে আছি।

ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মো. হারুনের সাথে সাংবাদিক পরিচয়ে যোগাযোগ করলে এ ব্যাপারে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন। একাধিকবার তার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

মুক্তিজোটের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের এলাকায় কয়েকটি পোস্টার ছাড়া আর কোনো নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা নেই। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।