নোবেল জয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। নির্বাচনও পর্যবেক্ষণ করছে দেশটি। জাতিসংঘও নিবিড় নজর রাখছে নির্বাচনের ওপর।
গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ড. ইউনূসের সাজার বিষয়ে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জবাবে ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কার ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্মাননার কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ব জুড়ে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এই নোবেল বিজয়ী।
তবে শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ড. ইউনূসকে (৮৩) দোষী সাব্যস্ত করে আদালতের রায়ের সমালোচনা থেকে বিরত ছিলেন মুখপাত্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ সরকারকে বিচারে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছি এবং পরবর্তী যেকোনো অগ্রগতি নিবিড়ভাবে অনুসরণ করব।’
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মিলার বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সমর্থন করি। এটি আগেও স্পষ্ট করে বলেছি। আমরা নির্বাচনকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করব। তবে অবশ্যই আমি কখনই চলমান ঘটনায় আগাম অনুমান করব না যে আমরা কী পদক্ষেপ নিতে পারি বা না নিতে পারি।’
এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের কার্যালয়ের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। ওই সাংবাদিক বলেন, সংসদের ৩০০টি আসনে নির্বাচনে ৪৪টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৮টি দলের ১ হাজার ৯৭০ জনের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ধরনের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বর্জনের কর্মসূচি দিয়েছে। কিন্তু দৃশ্যত কোনো সমর্থন নেই, এ বিষয়ে জাতিসংঘের কোনো পর্যবেক্ষণ আছে কি?
সহযোগী মুখপাত্র ফ্লোরেন্সিয়া সতো নিনো বলেন, ‘আমরা শুধু... আমরা প্রক্রিয়াটিকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং আমরা আশা করি সব নির্বাচন একটি স্বচ্ছ ও সংগঠিতভাবে হবে। আপাতত আমাদের কাছে এতটুকুই।’