ঢাকা-১১ আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শামীম আহমেদ। আর এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ ওয়াকিল উদ্দিন। এই আসনে বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেল। বিদ্যালয়ের দুইপাশে ভিড় দেখে ভোটের আমেজ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এটি নারী কেন্দ্র হওয়ায় নারীদের ভিড় বেশি দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু কেন্দ্রের ভেতরে তেমন ভোটার দেখা গেল না।
খোঁজ নিতেই জানা গেল, কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানরতরা অধিকাংশই দলীয় কর্মী। অধিকাংশই নৌকার ব্যাজ গলায় ঝিলিয়ে অবস্থান করছেন। নারীদের পাশপাশি কেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিয়েছেন পুরুষ ও তরুণ কর্মীরাও। নৌকা ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর সমর্থকদের দেখা মেলেনি।
দুপুর পৌনে একটা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভোট গৃহীত হয়েছে ৪৭১ টি। মোট ভোটার রয়েছে কেন্দ্রে সাড়ে ৩ হাজারের মতো।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. তাসফিন আদনান দেশ রূপান্তরকে বলেন, এটি নারী কেন্দ্র হওয়ায় সকাল সকাল এই কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। এখন একটু কম তবে আশা করছি দুপুরের পর ভোটারদের উপস্থিতি আর বাড়বে।
ভোট গ্রহণের হার কেমন জানতে চাইলে বলেন, এখন পর্যন্ত যা ভোট পড়েছে খারাপ না। পার্সেন্টেজ এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে ভালো।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ ওয়াকিল উদ্দিন ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৬৯ সালে এস.এস.সি পাশ করার পর তেজগাঁও কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় তেজগাঁও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভায় গুলশান থেকে বিশাল লাঠি মিছিলসহ জনসভায় যোগদান করেন ওয়াকিল উদ্দিন।