গত বছর ৯৯৩৯ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) গত বছর সারা দেশে ৪ হাজার ৪৫৩টি অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৯৩৯ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। এসব অভিযানে ৯৫ লাখ ২৯ হাজার ৪১৯ পিস ইয়াবা, ১২৭.২৫০ কেজি হেরোইন, ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৪ বোতল ফেনসিডিল, ১৪ হাজার ৭০০ বোতল বিদেশি মদ, ৭৮ হাজার ২৪২.৩৮ লিটার চোলাই মদ, ২৫ হাজার ৮৫৩.৩৫ কেজি গাঁজা, ৬ হাজার ৭৫৬ বোতল বিয়ার, ১১.৪৪৫ কেজি আফিম, ৭০ হাজার ৫২৭ পিস নেশা জাতীয় ইনজেকশন, ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৮৩ পিস ড্রাগ ট্যাবলেটসহ অন্যান্য মাদক জব্দ করা হয়।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরে র‍্যাব। র‍্যাব জানায়, প্রধানমন্ত্রীর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে র‌্যাব প্রতিনিয়ত মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

র‌্যাব জানায়, যেখানে মাদক সেখানে অবৈধ অস্ত্র, চোরাচালান, নারী পাচার, ছিনতাই, চুরি-ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইনের পাশাপাশি বর্তমানে আইস, এলএসডিসহ নতুন কিছু মাদকের প্রচলন দেখা গেছে। র‌্যাব ইতোমধ্যে ৬১ কেজির অধিক আইস উদ্ধার করেছে। ক্রিস্টাল মেথ বা আইসে ইয়াবার মূল উপাদানে এমফিটামিন এর পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। তাই মানবদেহে ইয়াবার চেয়েও বহুগুণ ক্ষতিসাধন করে এই আইস। এটি সেবনের ফলে অনিদ্র, অতি উত্তেজনা, স্মৃতিভ্রম, মস্তিস্ক বিকৃতি, স্ট্রোক, হৃদরোগ, কিডনি ও লিভার জটিলতা এবং মানসিক অবসাদ ও বিষন্নতার ফলে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। শারিরীক ও মানসিক উভয় ক্ষেত্রে এর নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। 

তারা আরো জানায়, এই মাদকের প্রচলনের ফলে তরুণ-তরুণীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং অস্বাভাবিক আচরণ পরিলক্ষিত হয়। এই মাদকে আসক্ত হয়ে মাদকাসক্তরা নানা অপরাধে জড়িত হয়ে পড়ছে। আর এসব রোধে র‌্যাব বদ্ধ পরিকর এবং সেভাবে তারা কাজ করে যাচ্ছে।