প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, দেশের যেখানে আদালত ভবন ঘাটতি রয়েছে তা পুরণে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। সরকার আদালত প্রতিষ্ঠা করবে। আমার পক্ষ থেকে যতটুকু প্রয়োজন সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।
আজ শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদ আয়োজিত বিজয়া সম্মিলন ২০২৪-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রামে আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ স্থাপনে আইনজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, এ দাবি বহু পুরনো। যৌক্তিক এ দাবি এতোদিন কেন পুরণ হলো না, পূর্বসূরীদের সাথে আলোচনা করে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিচারাঙ্গনের মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য সম্ভব সব কাজ করা হবে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ। এখানে সম্প্রদায়গত কোনো বিরোধ নেই। যারা বিরোধ করে তারা প্রকৃতপক্ষে কোনো ধর্মেরই অনুসারী নয়। তিনি বলেন, যারা নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ ভেবে অন্য ধর্মকে খাটো করে তারা ধর্মান্ধ। ধর্মান্ধরা সমাজের জন্য মঙ্গলজনক নয়। আমাদের সকলের অন্তর থেকে পাপ হিংসা ঘৃণা দুর করতে পারলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।
তিনি বলেন, মৃত্যু কোন শাস্তি নয়। এটি জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। জীবন সমাপ্তে মৃত্যু হবেই। আমরা পাপের কারনে শাস্তি পাই। কাজে আমাদের সকলের অন্তরকে পাপ মুক্ত রাখতে হবে।
পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট তরুণ কিশোর দে এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যে মধ্যে বক্তৃতা করেন চট্টগ্রাম সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞা, মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেসা, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সদস্য অ্যাডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ার, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবদুল নুর দুলাল, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ এস এম বজলুর রশীদ, পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ, সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট বিবেকানন্দ চৌধুরী প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদক প্রাপ্ত, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী ড. মনোরঞ্জন ঘোষালকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।