বাঘের গর্জনে জয়ের হালি পূরণ

খুলনার বাঘেদের গর্জনের সামনে ম্রিয়মান দুর্দান্ত ঢাকা। ঝকমকে ওপেনিং জুটির পরও খুলনা বোলারদের কড়া বোলিংয়ে মাত্র ১৩০ রানেই গুটিয়ে যায় ঢাকার ইনিংস। ৩২ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে ১০ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে খুলনা টাইগার্স।

দুর্দান্ত ঢাকার হয়ে দোর্দণ্ড রূপে আবির্ভুত হওয়ার কথা ছিল সায়েম আইয়ুবের। তবে সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন নাইম শেখ। প্রায় দুশো স্ট্রাইকরেটে ২১ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন নাইম। যেখানে চার দুটো আর ছক্কা চারটি। সায়েমের করা ৩৫ রানের স্ট্রাইকরেট তার নামের সঙ্গে বেমানান। একশ’র নিচে স্ট্রাইকরেটে ৩৭ বলে ১ চার ও ৩ ছয়ে এ রান করেন তিনি। দুজনের উদ্বোধনী জুটি দাঁড়ায় ৭৫ রানের।

নবম ওভারে নাইম ও পরের ওভারে ৭৭ রানে সায়েম ফেরার পরই খেই হারায় ঢাকা। শেষ ১০ ওভারে তারা সংগ্রহ করে মাত্র ৫২ রান। বিনিময়ে উইকেট খোয়ায় ৭টি উইকেট। সায়েম ও নাইমের পরে দু অঙ্কের ঘর ছোঁন কেবল একজন, অস্ট্রেলিয়ার ‘সুইপোলজিস্ট’ অ্যালেক্স রস। তিনি করেন ১৪ বলে ২১ রান।

খুলনার মোহাম্মদ নাওয়াজ ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানে শিকার করেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট পান মোহাম্মদ ওয়াসিম ও মুকিদুল ইসলাম। একটি করে উইকেট পান দাসুন শানাকা ও আফিফ হোসেন।  

আসরে এখনো কোনো পয়েন্ট না খোয়ানো খুলনা টাইগার্সের সামনে ১৩১ রানের লক্ষ্যটা নিতান্তই মামুলি। সেটি আরও সহজ হয়ে যায় এভিন লুইসের শুরুর ঝড়ে। ১৩ বলে ৩ চার, ২ ছয় ও দুশো স্ট্রাইকরেটে ২৬ রান করার পর তাসকিনের বলে আঘাত পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। ততক্ষণে দলের রান পঞ্চাশ।

আসরের দ্বিতীয় ফিফটি করেন বিজয়

অধিনায়ক হিসেবে দারুণ সময় কাটাতে থাকা টাইগার্স অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় আসরের দ্বিতীয় ফিফটি পূর্ণ করেন ৩৭ বলে। ওভারপ্রতি প্রায় ১০ করে রানরেট বজায় রেখে বিজয়-আফিফ অবিচ্ছিন্ন জুটিতে যোগ করেন ৮১ রান। আফিফের ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৩৭ রান। বিজয় করেন ৪৭ বলে ৫৭।

১০ উইকেটের এ জয়ে চার ম্যাচের সবকটিতে জেতা খুলনা চট্টগ্রামকে হটিয়ে বসেছে টেবিলের শীর্ষে।