প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ফিজির দুই মন্ত্রীর প্রেম ও যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে দেশটিতে তোলপাড় চলছে। ওই মন্ত্রীযুগলের বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। আরও অভিযোগ উঠেছে, বিদেশ সফরকালে তারা মাদক গ্রহণ করেছিলেন। এই মুহূর্তে দেশটির সরকার ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
গণমাধ্যমগুলোর খবর মাত্র ১০ লাখ মানুষের বসতির দেশ ফিজির নারীবিষয়ক মন্ত্রী লিন্ডা টাবুয়ার সঙ্গে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী আসেরি র্যাড্রোড্রোর প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। নারীমন্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে থাকা র্যাড্রোড্রো জোট সরকারের অংশীদার। সম্প্রতি সপ্তাহগুলোতে সামাজিক গণমাধ্যমে ওই যুগলের প্রেম নিয়ে নানা আলোচনা চলছে মাত্র এক বছর আগে ক্ষমতাসীন হওয়া জোট ব্যাপক প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্রিফিথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের প্যাসিফিক হাবের প্রধান ড. টেস নিউটন চাইন বলেন, ‘নতুন কিছুর উদ্দীপনা মøান হয়েছে। মানুষ নীবরভাবে দেখছে, সরকার কি করছে এবং এটি কীভাবে পরিচালিত হয়েছে। মন্ত্রীরা কীভাবে কাজ করছে তাও এতে প্রযোজ্য।’ তবে ওই দুই মন্ত্রী কোনোরকম অন্তরঙ্গ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেছেন। তারা দাবি করেছেন, গত বছর আগস্টে অস্ট্রেলিয়ায় মন্ত্রী পর্যায়ের সফর করেছেন তারা।
অনলাইন যোগাযোগমাধ্যম ভাইবারের দুই মন্ত্রীর বার্তা আদান-প্রদান ও অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবির স্ক্রিনশট চলতি মাসের শুরু থেকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সুন্দরী প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসা লিন্ডা একজন আইনজীবীও। তিনি বলেছেন, এসব ছবি বিকৃত এবং স্ক্রিনশটগুলো মিথ্যা। অন্যদিকে র্যাড্রোড্রো বলেছেন, তিনি এই ধরনের কোনো স্ক্রিনশট দেখেননি এবং এ নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্যও করবেন না তিনি। উদ্ভূত ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী রাবুকার ইস্তফার দাবি উঠছে।
গত বছর সেপ্টেম্বরে প্রথম এই অভিযোগ আসে। তখন থেকেই অনলাইনে ছড়ায় ছবি ও স্ক্রিনশট। ওই সময় রাবুকা বলেছিলেন, এই ধরনের কথার কোনো সত্যতা নেই। কিন্তু চলতি মাসে সেই বিতর্ক আবার মাথাচাড়া দিয়েছে।