প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে বারবার হানা দিয়েও মিলছিলো না কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা। পূজা দাশ তিনটি সহজ সুযোগ নষ্ট করায় হতাশা বাড়ছিল কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামালে স্টেডিয়ামে। তাতে প্রতিপক্ষ নেপালের আত্মবিশ্বাসও বাড়ছিল বেশ। তবে প্রথমার্ধের শেষভাগে জোড়া গোল করে বিরতিতে বাংলাদেশের সঙ্গী হয়েছে স্বস্তি। যদিও প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আফিদা খন্দকারের পেনাল্টি মিসে লিডটা বড় হয়নি। তারপরও সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে শুভ সূচণার লক্ষ্য অর্ধেক কাজটা সেড়ে ফেলেছে বাংলাদেশ।
দুই অর্ধ্ব ব্যবহার করে বারবার আক্রমণে গিয়েছে সাইফুল বারী টিটুর শীষ্যরা। তবে রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলা নেপাল দারুণভাবে রুখে দিতে থাকে স্বাগতিকদের সব প্রচেষ্টা। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে পূজার দাসের আড়াআড়ি শট দূরের পোস্ট গলে বাইরে গেলে হতাশ হতে হয় বাংলাদেশকে। ২০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে পূজার বাঁ পায়ের বাকানো শট উপরের জালে আঘাত হানে। ৩৯ মিনিটে পুজা ফের হতাশ করেন গোলকিপারকে একা পেয়ে গোল করতে না পেরে। তবের পরের মুহূর্তে সাগরিকার সুযোগনসন্ধানী গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। নেপাল কিপারের গোলকিক হেড করে সাগরিকাকে বাড়িয়ে দেন স্বপ্না রানী। দুই মার্কারকে ছিটকে ফেলে ডানপায়ের প্লেসিংয়ে গোলের আনুষ্ঠানিকতা সাড়েন সাগরিকা। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মুমকি আক্তার। নেপাল কিপারের ক্লিয়ারেন্স পেয়ে যান ইতি খাতুন। ডান দিক থেকে আড়াআড়ি বক্সে থাকা মুমকিকে বাড়ান এই উইঙ্গার। উন্মুক্ত পোস্টে বাঁ পায়ের ভলিতে বল জমা করেন মুমকি। বিরতির আগেই বাংলাদেশ পেতে পারতো তৃতীয় গোলের দেখা। যোগ করা সময়ে বাঁ দিক দিয়ে আক্রমনে ওঠা সাগরিকাকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি উপহার দিয়েছিলেন সিমরান রায়। তবে স্পট থেকে অধিনায়ক আফিদা খন্দকারের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে সাগরিকার প্রচেষ্টা অবশ্য সরাসরি যায় নেপাল কিপারের কাছে।