‘বুড়ো’ মালিকের তাণ্ডবে থামল খুলনার জয়রথ

প্রথম দেখায় আধিতপত্য দেখিয়ে জয় তুলে নিয়েছিল খুলনা টাইগার্স। এবারের দেখায় দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ফরচুন বরিশাল। বুড়ো শোয়েব মালিকের অনবদ্য ফিনিশিংয়ে বরিশাল পেল ৫ উইকেটের জয়। এর হারের ফলে জয়রথ থামল এনামুল হক বিজয়দের।

আগে ব্যাট করতে নেমে ১৬ ওভার শেষে ৭ উইকেটে খুলনা টাইগার্সের রান ছিল ৮৮। শেষ চার ওভারে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেন খুলনার দুই পাক অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নওয়াজ। এই দুইয়ের ব্যাটে চড়ে খুলনা ইনিংস শেষ করে ১৫৫ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে। ফলে শেষ ২৪ বলে খুলনা পায় ৬৭ রান। ২৩ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন নওয়াজ। আর ইনিংসের শেষ বলে রান আউটে উইকেট হারানোর আগে ফাহিম আশরাফের ব্যাট থেকে ১৩ বলে আসে ৩২ রান।

১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ইনিংসের শুরুতেই বিদায় নেন আহমেদ শেহজাদ। নাহিদুল ইসলামের বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে বল মিস করে স্টাম্পড হন শেহজাদ। এর ফলে ডাক হয়ে এদিন প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় বরিশালের এই পাক ওপেনারকে। তবে দারুণ শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বাউন্ডারির চাহিদায় উড়িয়ে মারতে গিয়ে তামিম ক্যাচ হন ডিপ স্কয়ার লেগ অঞ্চলে। ফাহিম আশরাফের প্রথম শিকার হওয়ার আগে ১৮ বলে করেন ২০ রান।

তিনে নামা সৌম্য সরকারের উইকেটও দখলে নেন ফাহিম আশরাফ। পরপর দুই ওভারে তামিম ও সৌম্যকে ফিরিয়ে খুলনাকে ম্যাচে ফেরান ফাহিম। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ২৩ বলে ২৬ করেন সৌম্য। শোয়েব মালিকের সাথে জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যাওয়ার বদলে মুশফিকুর রহিমও উইকেট হারান ব্যক্তিগত ২৭ রানে। ৪ রানের বেশি করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ আর শোয়েব মালিক মিলে বরিশালকে জয়ের পথে নেওয়ার চেষ্টা চালান। শেষদিকে এই দুইয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের কল্যাণে শেষ ৬ ওভারে জয়ের জন্য সমীকরণ দাঁড়ায় ১৮ রানের। খুলনার অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় বল তুলে দেন দাসুন শানাকার হাতে। স্ট্রাইকে থাকা মিরাজ প্রথম বলেই হাঁকান ছয়।