পুলিশের মামলা ‘সাজানো’ দাবি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় রেদোয়ান গোলদার নামে এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে অস্ত্র মামলা ও আরেকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদারকে চোরাচালানির ‘সাজানো’ মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার দুপরে মঠবাড়িয়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মঠবাড়িয়া থানার পুলিশ রেদোয়ান গোলদারের বিরুদ্ধে ‘সাজানো’ অস্ত্র উদ্ধার মামলায় আসামি করে। এদিকে, গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচন-পরবর্তী সম্প্রতি উপজেলার তুষখালী ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হাওলাদারকে চোরাকারবারি দেখিয়ে আসামি করে নেছারাবাদ থানার পুলিশ।

জুডিশিয়াল তদন্তের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বাচ্চু আকন বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে সাবেক সাংসদ স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ইন্ধনে তৎকালীন থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার প্রভাবিত হয়ে অন্যায়ভাবে অস্ত্র উদ্ধার দেখিয়ে রেদোয়ান গোলদারকে গ্রেপ্তার এবং তড়িঘড়ি করে পুলিশ ‘সাজানো’ ওই অস্ত্র মামলা করার মাত্র ১০ দিনের মাথায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়ে দেয়। রেদোয়ান গোলদার গত ৮ নভেম্বর থেকে কারাগারে। তিনি উপজেলার তুষখালী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান গোলদারের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক।

পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই অস্ত্র উদ্ধার মামলা ও চার্জশিট হয়েছে। অন্যদিকে, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হাওলাদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুরো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।’