মরমি সাধক গীতিকবি জালাল উদ্দীন খাঁ ও কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এবার ২১ জন পাচ্ছেন একুশে পদক। গতকাল মঙ্গলবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে। তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পাচ্ছেন।
পদকের জন্য মনোনীত বিশিষ্টজনরা হলেন ভাষা আন্দোলনে মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)। শিল্পকলার সংগীতে জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব।
নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয়ে ডলি জহুর ও এম এ আলমগীর; আবৃত্তিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী। চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে কাওসার চৌধুরীকে পদক দেওয়া হচ্ছে। সমাজসেবায় পদক পাচ্ছেন মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ। এ ছাড়া ভাষা ও সাহিত্যে মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর) এবং শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু একুশে পদক পাচ্ছেন।
২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের একুশে পদক দেবেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন ৪ লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ পদক দিয়ে আসছে সরকার। স্বাধীনতা পুরস্কারের পর রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’।