১০ মার্চের মধ্যে হামাস গাজায় আটককৃত সব জিম্মিকে মুক্তি না দিলে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহতে তীব্র হামলা চালাবে ইসরায়েল। এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের যুদ্ধ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গ্যান্টজ।
স্থানীয় সময় রবিবার এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসি।
রবিবার সাবেক এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বকে অবশ্যই জানতে হবে এবং হামাস নেতাদের অবশ্যই জানা উচিত, রমজানের মধ্যে আমাদের জিম্মিরা বাড়িতে না থাকলে, রাফাহ অঞ্চলে সর্বত্র তীব্র লড়াই চলবে’।
উল্লেখ্য আগামী মাসের ১০ তারিখ থেকেই গাজায় রমজান শুরু হচ্ছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের সংখ্যা কমাতে এবং তাদের সরিয়ে নেওয়ার সুবিধার্থে আমেরিকান এবং মিশরীয় অংশীদারদের সাথে আলোচনা করে ইসরায়েল একটি সমন্বিত পদ্ধতিতে কাজ করবে’।
তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখনও বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া বা উচ্ছেদের পরিকল্পনার কোনো বিবরণ দিতে পারেননি।
এদিকে রাফাহতে ইসরায়েলের আক্রমণের পরকল্পনার পর থেকেই কিছু মানুষ পশ্চিমে উপকূলের দিকে চলে যাচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগই এখনও অপেক্ষা করছে, কী করা উচিত বা উচিত নয় তা নিশ্চিত নয় তারা।
জাতিসংঘের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি অভিযানের পর গাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ণ করতে রাফা শহরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে তাদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
তবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নাসের হাসপাতাল হামাস সন্ত্রাস কাজের জন্য ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ জানিয়ে তাদের অভিযানকে "সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত" হিসাবে বর্ণনা করেছে।