মঙ্গল আলোকে উদ্ভাসিত আনন্দযজ্ঞ | ড. হারুন রশীদ
আর বইমেলা মানে মাস জুড়েই সৃজনশীল বই প্রকাশনার মৌসুম। লেখক-প্রকাশক-পাঠক সারা বছর ধরে অপেক্ষা করেন এই মেলার জন্য। পরিসর, ব্যাপ্তি ও আবেগের দিক থেকে এটি হয়ে উঠেছে আমাদের প্রাণের উৎসব।
সিনথিয়া ইসলাম। বয়স ১১। রাজধানীর একটি স্কুলের শিক্ষার্থী। টুকটাক লেখালেখি করে। হঠাৎ করেই মাকে নিয়ে বড় একটি কবিতা লিখে ফেলে সে। পড়তে দেয় স্বজনদের। স্বজনরা উৎসাহ দেন। এরপর সেটি বই আকারে বের হয় বইমেলায়। লেখার সঙ্গে আঁকা। সুন্দর রঙিন প্রচ্ছদ। সব মিলিয়ে প্রডাকশন হয় দারুণ। মেলায় গিয়ে ঘটা করে মোড়ক উন্মোচনও হয়। বলা যায়, মেলার কারণেই সিনথিয়ার লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে। সিনথিয়ার মতো সৃজনশীলদের জন্য ‘বইমেলা’ হচ্ছে সুকুমারবৃত্তি প্রকাশের খোলা জানালা। সেটি অনেক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। বাস্তবতা হচ্ছে...
বিস্তারিত পড়ুন...
বইমেলার উচ্ছ্বাস প্রাপ্তি শূন্য | শাকিল রিয়াজ
বইমেলা নিয়ে আমাদের প্রাপ্তি, যদি শুধু বইয়ের স্বার্থ ভাবি, প্রায় শূন্য। পেশাদারি মনোভাব নিয়ে আয়োজন করতে হবে বইমেলা যেখানে লেখক ও প্রকাশক লাভবান হবেন আর উপকৃত হবেন গ্রন্থপ্রিয় মানুষ।
ব্যক্তিগত কথাবার্তা দিয়ে শুরু করি। নব্বই দশকে দেশের একটি প্রধান দৈনিকের সাহিত্য-সাময়িকী বিভাগে কাজ করতাম। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে পুরো পৃষ্ঠা জুড়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন লিখতাম। পুরো মাসজুড়ে আয়োজন করতাম বইমেলা, নতুন বই, লেখক-প্রকাশক, পরিবেশ নিয়ে নানান আয়োজন। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতো ঢাকা বইমেলা। কলেবর ছোট হলেও বই সংক্রান্ত মেলা হওয়ায় নিজে উদ্যোগ নিয়ে কাভার স্টোরি করেছি বহুবার। বিটিভির গ্রন্থ বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলাম বলে সেখানেও বইমেলা, বই ও লেখক-প্রকাশকদের নিয়ে নিয়মিত অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে সক্রিয় জড়িত ছিলাম।
বিস্তারিত পড়ুন...