আহসান মঞ্জিলে বিপিএলের ট্রফি নিয়ে ফটোসেশনে অধিনায়করা নেই

রাতেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে বিপিএলের দুই ফাইনালিস্ট। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পর ফরচুন বরিশাল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিপিএলের ট্রফি নিয়ে দুই ফাইনালিস্টের ফটোসেশন।

ঢাকার পাশে আহসান মঞ্জিলে হয় এই ফটোসেশন। তবে সেখানে দুই দলের কোনো অধিনায়কই উপস্থিত হননি। কথা ছিল লিটন দাস বা তামিম ইকবাল আসবেন ট্রফি নিয়ে ফটোসেশনে অংশ নিতে। কিন্তু তাদের কাউকেই দেখা যায়নি ট্রফির সঙ্গে। তাদের বদলে দল থেকে এসেছেন দুই প্রতিনিধি। বরিশালের হয়ে এসেছে মেহেদী হাসান মিরাজ এবং কুমিল্লার হয়ে এসেছেন জাকের আলি অনিক।

সর্বশেষ দুই মৌসুমের আগে ২০১৫ ও ২০১৯ সালে ফাইনাল উঠেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কুমিল্লা। িদলটির সহ-অধিনায়ক জাকের বললেন, এবারও জিততে হলে ভালো পারফরম্যান্সই করতে হবে, ‘ফাইনালে উঠলেই যে ট্রফি পেয়ে যাব, এমন কিছু নয়। পারফর্ম করেই কুমিল্লা প্রতিবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যদি চ্যাম্পিয়ন হতে হয়, ফাইনালেও আমাদের ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।’

জাকের যোগ করেন, ‘কুমিল্লা ফাইনাল খেলতে অভ্যস্ত। আমরা দল হিসেবে জানি, কীভাবে বড় ম্যাচে পারফর্ম করতে হয়। আমাদের মনোযোগ সেখানেই থাকবে। যেহেতু ম্যাচটি ফাইনাল, অবশ্যই বরিশাল ভালো খেলেই এত দূর এসেছে। আমরা প্রতিপক্ষ হিসেবে সব দলকেই সম্মান করি। ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হবে না। সব সময় চেষ্টা করি সেরা ক্রিকেট খেলতে, ফাইনালেও সেরাটা খেলার চেষ্টা করব।’

বরিশালের অলরাউন্ডার মিরাজ এর আগে ফাইনাল খেলেছেন দুবার। ট্রফি ছুঁয়ে দেখতে পারেননি। এবার এই আক্ষেপ ঘোচাতে চান তিনি, ‘কখনো বিপিএলে ট্রফি জেতেনি। যদি চ্যাম্পিয়ন হতে পারি, এবারই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হব। এর আগে দুবার ফাইনাল খেলেছি, এটা নিয়ে তৃতীয়বার হবে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলব। সবাই চায় চ্যাম্পিয়ন হতে, কুমিল্লাও চায়। মাঠে যারা ভালো খেলবে, তারাই জিতবে।’

মিরাজ আশা করছেন দুই দলের এই ফাইনাল হবে জমজমাট, ‘ক্রিকেট এমন একটা খেলা, যেদিন যারা ভালো খেলবে তারা জিতবে। এর আগেও বরিশাল-কুমিল্লা ফাইনাল হয়েছে, সেবার বরিশাল ১ রানে হেরেছে। আশা করছি, আবার ভালো একটা ম্যাচ হবে, সবাই উপভোগ করবে। কুমিল্লা সব সময়ই অনেক বড় দল, তারা অনেক ভালো দল সব সময়ই গড়ে। প্রতিপক্ষ হিসেবে চ্যালেঞ্জিং হবে, সহজ হবে না। দুই দলের খেলাটা ভালো হবে। কারণ, আমাদের দলও অনেক শক্তিশালী। আমাদের দলেও অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে, দেশের বাইরে যারা আছে, তারাও খুব ভালো খেলোয়াড়।’

গতবার বিপিএল ফাইনালের ট্রফি প্রদর্শনী হয়েছে মেট্রোরেলে, এবার আহসান মঞ্জিলে। বিসিবির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মিরাজ, ‘এটা বিশাল বড় একটা ব্যাপার। এর মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। দিনে দিনে আমাদের ঐতিহ্যকে মানুষ ভুলে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্ম অনেক কিছুই জানছে না। এর মাধ্যমে হয়তো মানুষ নতুন করে জানছে। ভালো লাগার বিষয়।’