হোলসিম ব্লক নামে কংক্রিটের ব্লক বাজারে এনেছে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। গত শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে নতুন এই পণ্যের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো. আশরাফুল ইসলাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু সাদেক।
স্বাগত বক্তব্যে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার আসিফ ভূঁইয়া বলেন, ‘কংক্রিটের ব্লক পরিবেশবান্ধব এবং প্রথাগত ইটের চেয়ে টেকসই। জ¦ালানি সাশ্রয়ী এ ধরনের ব্লক তৈরিতে কার্বন নিঃসরণ কম হওয়ায় সারা বিশে^ই এর চাহিদা বাড়ছে। লাফার্জহোলসিম একটি টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং হোলসিম ব্লক এই যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে সব সরকারি প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ব্লক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে সব প্রথাগত ইট তৈরির ভাটা বন্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। কংক্রিট ব্লক ব্যবহারে অবকাঠামো টেকসই হবে।’
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু সাদেক কংক্রিট ব্লক ব্যবহারের উপকারিতা এবং প্রথাগত লাল ইটের অপকারিতা তুলে ধরেন। তিনি আরও জানান, কংক্রিট ব্লক ব্যবহারে সামগ্রিক নির্মাণ খরচ কম হয়।
ইটের বাজারের দিক থেকে এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে শতকরা ৯৯ ভাগ ইট প্রথাগত উপায়ে ভাটায় প্রস্তুত করা হচ্ছে, যার কার্বন নিঃসরণ মাত্রা অনেক বেশি। শুধু তা-ই নয়, এর ফলে জমির উপরিভাগের মাটি বিনষ্ট হচ্ছে এবং প্রচুর গাছ কাটা পড়ছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। কংক্রিট ব্লকের মাধ্যমে নির্মাণকাজ নিশ্চিত করতে পারলে টেকসই নির্মাণ ও পরিবেশ রক্ষায় মাইলফলক অর্জন হবে। বিজ্ঞপ্তি