অগণিত আমন্ত্রিত অতিথির শুভেচ্ছা, আয়োজকদের আন্তরিকতা, আপ্যায়ন, আড্ডা, স্মৃতিচারণ, উচ্ছ্বাস এ যেন অন্য ধরনের এক উৎসব। গণমাধ্যমের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সবসময়ই কিছু ভিন্নতা থাকে। যেখানে সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষরা আসেন। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের সফলতা, ত্রুটি, বিচ্যুতি ও ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাওয়ার নানা আন্তরিকতাপূর্ণ কথা বলেন। গতকাল সোমবার দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনটি সেই ভিন্নতাকে ছাড়িয়ে গেছে। শিক্ষক, রাজনীতিক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, পুলিশ কর্মকর্তা, কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, আইনজীবী, চলচ্চিত্র শিল্পী থেকে শুরু করে গায়ক, মডেল প্রায় সব পেশার স্বনামধন্য মানুষ এসেছিলেন এই উৎসবে। দিনভর তাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয় দেশ রূপান্তর পরিবার। সফলতার গল্প যেমন শোনা গেছে তাদের মুখে, তেমনি ভবিষ্যতে পথচলারও। ২০১৮ সালের ২০ ডিসেম্বর ‘দায়িত্বশীলদের দৈনিক’ এ স্লোগানে পথচলা শুরু করেছিল দেশ রূপান্তর। অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাপটও শুরু বলা যায় তখন থেকে। কিন্তু দিনে দিনে ‘দোলাচল’ অন্ধকারে ঠেলে আলোর পথে সফলতার গল্পের কথাই উঠে এসেছে বেশি। একে ধারণ করে দেশ রূপান্তরের প্রতিটি কর্মী এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ও প্রেরণা পেয়েছে।
গত বছর ২০ ডিসেম্বর পত্রিকাটি পাঁচ পেরিয়ে ছয়ে পদার্পণ করে। ওইদিন বাংলা মোটরে পত্রিকাটির কার্যালয়ে ছিল ঘরোয়া আয়োজন। দেশ রূপান্তরের অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ গ্রুপ ঘোষণা দিয়ে রেখেছিল, পরিস্থিতি ও সময়ের সুযোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজন হবে আরও বড় পরিসরে। আড়াই মাস ধরে চিন্তা, ভাবনা, পরিকল্পনা আর সংশ্লিষ্টদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ধারাবাহিকতায় গতকাল বাংলা মোটরের রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারের পঞ্চম ও ষষ্ঠতলায় বিশাল পরিসরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু। এরপর শুরু হয় অতিথিদের শুভেচ্ছা গ্রহণ। আলোকোজ্জ্বল মঞ্চে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল, কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা আবদুল গাফফার, দেশ রূপান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুন অতিথিদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করে তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যানের মা ফরিদা বেগম, গ্রুপের পরিচালক রোকেয়া বেগম নাসিমা, গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন, সাইফ আলী খাঁন অতুল, সাবরিনা রশীদ নোভা, নওরীন জাহান মিতুল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাছিমা মুকাই আলী।
এরপর দিন পেরিয়ে রাত অবধি উৎসবমুখর পরিবেশে অতিথিদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয় দেশ রূপান্তর পরিবার। গত আড়াই মাসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনটি উল্লেখ ও পরিচিত করা হয় ‘পাঁচ পূরণ’ হিসেবে। এ নিয়ে অনুষ্ঠানে আসা অনেকেই প্রশ্ন করেছেন দেশ রূপান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুনকে। পাঁচ বছর পূরণে নামের এই ব্যতিক্রম এবং ব্যাখ্যা শুনে প্রশংসাও ঝরেছে অতিথিদের কণ্ঠে। পথচলার দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশ রূপান্তর পার করেছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ দিন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনটিতে ঘুরেফিরে একটি নাম এসেছে, কখনো প্রকাশ্যে কখনো মনের গহিন থেকে। আর তিনি হলেন পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক প্রয়াত অমিত হাবিব। যার হাত ধরে সূচনা হয়েছিল দেশ রূপান্তরের সাফল্যের সিঁড়ি। সেই মানুষটি ১৯ মাস আগে আকস্মিকভাবে চিরবিদায় নিয়ে চলে গেলেও তার জীবনকর্ম ও প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে তার স্বপ্নের কথা প্রতিনিয়তই উচ্চারিত হয় তারই রেখে যাওয়া কর্মীদের মুখে। আমন্ত্রিত অতিথিদের অনেকে অমিত হাবিবকে স্মরণ করে দেশ রূপান্তরের সাফল্য ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশার কথা জানান।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘দেশ রূপান্তর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে। দেশ থেকে দুর্নীতি, বৈষম্য রোধে এই পত্রিকাটি আগামী দিনে আরও কাজ করবে। এটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা হিসেবে স্থান করে নেবে বলে আমার বিশ্বাস। দেশ রূপান্তর এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, শুরু থেকে দেশ রূপান্তরের রিপোর্টারদের প্রতিবেদনে যে মূল্যবোধ দেখেছি, সেটি আমাকে আকর্ষণ করে, অনুপ্রাণিত করে। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা যেটি মুক্তচিন্তার প্রকাশ করে। আর এ মুক্তচিন্তা উন্নয়নের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য মূল্যবান উপাদান হলো স্মার্ট সাংবাদিকতা। এটি আমি দেখেছি দেশ রূপান্তরের মধ্যে।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘পত্রিকাটি মাত্র পাঁচ বছরে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও তারা ভালো করবে বলে আমার বিশ্বাস।’ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, ‘দেশ রূপান্তরের এই পরিবারের অনেকেই আছেন যারা আমার খুব ঘনিষ্ঠ। তাদের সবাইকে এই শুভ দিনে শুভেচ্ছা জানাই। পত্রিকাটি আরও এগিয়ে যাবে, ভালো করবে আমার প্রত্যাশা এটি।’ দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, ‘এ পত্রিকাটি প্রতিনিয়ত ভালো করছে। মানুষের কথা বলছে। তারা আরও এগিয়ে যাবে বলে আমার প্রত্যাশা।’ দেশ রূপান্তরকে শুভেচ্ছা জানাতে এসে কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবচেয়ে ভালো নিউজ টিম নিয়ে কাজ করছে দেশ রূপান্তর। যার মূল কারিগর ছিলেন অমিত হাবিব। আমার বিশ্বাস দেশ রূপান্তর শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছাবে।’ দৈনিক কালবেলা সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা বলেন, ‘শুরু থেকেই দেশ রূপান্তর আমার প্রিয় একটি পত্রিকা। এই পত্রিকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো চমৎকার ও সাহসী শিরোনাম, যা পাঠককে সহজেই আগ্রহী করে তোলে।’ দৈনিক খবরের কাগজের সম্পাদক মোস্তফা কামাল দেশ রূপান্তরের সাফল্য কামনা করে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, রাজনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য একটি পত্রিকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। দেশ রূপান্তর সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমি এ পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। কিছুদিন আগে ভারতের ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কারপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এসেছিলেন দেশ রূপান্তরের এ আয়োজনে। উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘পত্রিকাটি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে ছয় বছরে পড়েছে। কিন্তু এই কয়েক বছরে যথেষ্ট পরিচিতি ও পরিপক্বতা পেয়েছে। অত্যন্ত সার্থকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’ বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি রবীন্দ্রসংগীতের কয়েক লাইন গেয়ে উপস্থিতজনদের প্রশংসা কুড়ান।
প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটিকে মাতিয়ে রাখেন দেশ রূপান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি উম্মুল ওয়ারা সুইটি ও রূপায়ণ গ্রুপের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর হাবিবুর রহমান পলাশ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনে কয়েক দফা কেক কাটা হয়। বিকেল ৪টার দিকে অনুষ্ঠানে আসেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি দেশ রূপান্তর পত্রিকা ও রূপায়ণ গ্রুপের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তাকে নিয়ে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল, কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুন কেক কাটেন। এ সময় চারদিক থেকে উচ্চারিত হয় ‘শুভ শুভ শুভদিন। দেশ রূপান্তরের জন্মদিন।’ সাবের হোসেন চৌধুরী তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘দেশ রূপান্তর মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে। স্বাধীনতার মাসে পত্রিকাটি তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন করছে। বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আশা করি এই পত্রিকাটিও এগিয়ে যাবে।’
বিকেলে অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে আসেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। এ সময় তাকে নিয়ে কেক কাটেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকসহ অন্যরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি দেখেছি সাংবাদিকরা তাদের লেখনী দিয়ে অনেক কিছুর পরিবর্তন করতে পারেন। আমি আশা করব এ পত্রিকাটি তার বস্তুনিষ্ঠতা দিয়ে মানুষের কাজে আসবে। এই পত্রিকাটির সাফল্য কামনা করছি।’ এরপর আসেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান। তাদের নিয়ে কেক কাটেন রূপায়ণ গ্রুপ ও দেশ রূপান্তরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতনরা। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘গত ১৫ বছরে দেশের অনেক রূপান্তর হয়েছে। আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যে কাজ করছি। আমাদের আশা দেশ রূপান্তর তার বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।’ মহিববুর রহমান তার বক্তব্যে দেশ রূপান্তরের সাফল্য কামনা করেন। দেশ রূপান্তরকে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন ভোরের ডাক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কেএম বেলায়েত হোসেন। সন্ধ্যায় দেশ রূপান্তর পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে পত্রিকাটির সাফল্য কামনা করেন। আরও আসেন মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। জ্যেষ্ঠ এ সাংবাদিক দেশ রূপান্তরের কর্মীদের উৎসাহ দেন। শুভেচ্ছা জানাতে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আবদুর রহমান।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শিক্ষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জনসংযোগ) আবির শুভ্র ও জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহছান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানের পক্ষে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ভারপ্রাপ্ত কমিশনার ও অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, ‘দেশ রূপান্তর দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের কথা বলে এবং সেই উন্নয়নের পক্ষেই কাজ করে বাংলাদেশ পুলিশ।’ অনুষ্ঠানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদার দেশ রূপান্তরের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, ‘সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করার পাশাপাশি পাঠকপ্রিয়তা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে পত্রিকাটি।’ হাইওয়ে পুলিশের ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. শাহাবউদ্দিন খান বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। জনসাধারণের সঙ্গে এই কাজ এগিয়ে নিতে দেশ রূপান্তর আমাদের সবসময় সহযোগিতা করে আসছে।’ ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘দেশ রূপান্তর মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে। সঠিক তথ্য প্রচার করে এবং আমাদের (পুলিশের) সাফল্য তুলে ধরে।’ অনুষ্ঠানে পুলিশ বিভাগের আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কেএন রায় নিয়তি, গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আবদুল আহাদ, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মিশু বিশ্বাস, পিবিআইর গণমাধ্যম শাখার পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ, ডিএমপির উত্তরা বিভাগের তৌহিদ খান।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানাতে এসে বিএনপির প্রচার সম্পাদক, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘দেশে ভোটের চর্চা, গণতন্ত্র আর মানবাধিকারের জন্য আমরা লড়াই করছি। দেশ রূপান্তর তার নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে সংবাদ পরিবেশন করছে। এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।’ গণ অধিকার পরিষদের (একাংশ) সভাপতি, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দেশ রূপান্তর ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ভবিষ্যতেও তাদের এ পথচলা অব্যাহত থাকবে।’ বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খানের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ। সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমানের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্যরা। এ ছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুদ্দিন ও ডিএসইর সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, সাউথ বাংলা ব্যাংকের এমডি হাবিবুর রহমান আয়োজনে এসেছিলেন।
দেশ রূপান্তরকে শুভেচ্ছা জানাতে আরও এসেছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ রেহানা আক্তার রানু, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংসদ রাশেদা বেগম হীরা, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির, বিএনপির পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্য মীর হেলাল, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ও প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক মু. আতাউর রহমান সরকার। ছাত্রশিবির প্রচার সম্পাদক সাদেক আবদুল্লাহ, ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদিব।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম, আবুল খায়ের গ্রুপের উপদেষ্টা এবং মসজিদ ডট লাইফের প্রতিষ্ঠাতা কামাল আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সচিব ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান খান, পাওয়ার সেলের উপপরিচালক প্রকৌশলী মো. সলিম উল্লাহ খান, বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ডের সিনিয়র বিদ্যুৎ পরিদর্শক ও সদস্য-সচিব প্রকৌশলী মো. আতোয়ার রহমান মোল্লা, জলবায়ু ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম জাকির হোসাইন খান, রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান রসাটমের কনসালট্যান্ট ডা. ফরহাদ কামাল, কমিউনিকেশন স্পেশালাইজড ইমতিয়াজ হোসাইন, বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ডিজিএম অ্যান্ড জিএম ইনচার্জ (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স) মো. মোয়াল্লেম হোসাইন, কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাহমুদ আলম, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জ্বালানি দক্ষতা সেলের প্রধান প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সিরাজ উদ-দৌলা খান।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রব্বানী, এফবিসিসিআইয়ের যুগ্ম সম্পাদক নুর আলম সিদ্দিকী, একুশে পদকপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী পাভেল রহমান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, বাংলাদেশ পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দীন, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য কায়সার হামিদ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এএইচএম সফিকুজ্জামান, আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ, প্রাবন্ধিক কবি কামরুল হাসান, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক আনজীর লিটন, বাংলাদেশ সংবাদপত্র এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান, এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের হেড অব এইচআর সৈয়দ আবদুল আজিজ, ‘রঙ’ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৌমিক দাশ, সরকারি তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তাওসিফ মাইমুন, অর্থ সম্পাদক মামুন হাসান, আইসিডিডিআর,বির পক্ষে তথ্য কর্মকর্তা মো. আমান হোসাইন, যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আলহাজ নূর মোহাম্মদ, প্রবাসী পল্লী গ্রুপের পরিচালক নাসিম রহমান, স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ম্যানেজার মেসবাউদ্দিন আহমেদ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অর্থ ও হিসাব শাখার খন্দকার সাব্বির মোহা. কবির, রূপায়ণ ভূমি উন্নয়ন করপোরেশনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহ আরিফ বিন হাবিব, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, বাংলাদেশ সংবাদপত্র শিল্প কল্যাণ ফেডারেশনের নেতারা, ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম, পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের কর্মকর্তা ও সহকারী ম্যানেজার ফারিহা মোশাররফ, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. মো. ছায়েদুল হক, আইডিএলসি পক্ষে মোহাম্মদ আসিফ হোসাইন, এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির পক্ষে ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও হাবিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, যুব মহিলা লীগের সভাপতি ডেইজি সারোয়ার।
এ ছাড়া কবি, কথাসাহিত্যিক, লেখক ও সাংবাদিকদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন প্রভাষ আমিন, আহমাদ মাযহার, কাজল শাহনেওয়াজ, কামরুল হাসান, ইফতেখার ওয়াহিদ ইফতি, কামরুজ্জামান কামু, আলফ্রেড খোকন, টোকন ঠাকুর, তানভীর মাহমুদ, গোলাম কিবরিয়া, আনজির লিটন, বোরহানুল হক সম্রাট, মনি হায়দার, মামুন খান, আফরোজা সোমা প্রমুখ।
চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিস জানায়, নানা আয়োজনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে দেশ রূপান্তরের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। ব্যুরোপ্রধান ফারুক ইকবালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দেশ রূপান্তর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিচ্ছে। আগামী দিনে লেখনীর মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে পত্রিকাটি কাজ করবে, এটাই প্রত্যাশা করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন করি। একসময় পত্রিকায় কিছু লিখলেই মানুষ মনে করত এটাই সত্য। এখনো অনেকেই প্রকৃত সাংবাদিকতা করছেন। সাংবাদিকদের প্রতি আমার শ্রদ্ধাবোধ ছাত্রজীবন থেকেই। সাংবাদিকরাই আমাদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ত্বরান্বিত করেছেন।’ সাংবাদিকদের জন্য চট্টগ্রামে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি শহীদুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশ রূপান্তরও সেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত থাকুক।’ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস বলেন, ‘স্বাধীনতার মাসে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে দেশ রূপান্তর প্রমাণ করেছে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করে, লালন করে।’
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে করা দেশ রূপান্তরের ব্যানারকে ব্যতিক্রম বলে মন্তব্য করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা বলেন, ‘দেশ ও জাতির উন্নয়ন, সম্ভাবনার ও সমৃদ্ধির সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রকাশিত নিউজগুলোর হেডলাইন দিয়ে চমৎকার ব্যানার করা হয়েছে।’ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক বলেন, ‘দেশ এবং রূপান্তর আলাদা শব্দ। দুটি মিলে দেশ রূপান্তর একটি শক্তিশালী শব্দ। এটি একটি আধুনিক পত্রিকা।’ চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি তপন চক্রবর্তী বলেন, ‘অনেক পত্রিকার ভিড়ে দেশ রূপান্তর আলাদা একটা চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে। এই পত্রিকাটির নিউজের বৈশিষ্ট্য আলাদা। উন্নয়ন ও দুর্নীতির নিউজের পাশপাশি চট্টগ্রামকেও তারা ভালোভাবে তুলে ধরেছে।’
অনুষ্ঠানে দেশ রূপান্তরকে অভিনন্দন জানিয়ে আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, সিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন কুমার সেন, জনকণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজ্জেমুল হক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আবদুল মান্নান, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসিফ সিরাজ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মো. আলী। দেশ রূপান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার ম. শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ সূচক বক্তব্য দেন ডেপুটি ব্যুরো চিফ ভূঁইয়া নজরুল। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান ফারুক ইকবাল ইতিবাচক সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশ রূপান্তর ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।