সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (সুপ্রিম কোর্ট বার) ২০২৪-২০২৫ মেয়াদের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিনিধি নির্বাচনে দুই দিনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট দেন আইনজীবীরা। ৭ হাজার ৮৮৩ আইনজীবী ভোটারের মধ্যে প্রথম দিনে ৩ হাজার ২৬১ জন আইনজীবী ভোট দেন।
এদিকে ভোটের দিনে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর শোনা না গেলেও সকালে ভোট শুরুর আগে সাদা শার্ট পরিহিত অন্তত ২০০ তরুণকে সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের আশপাশে ঘুরতে দেখা যায়। এ সময় আইনজীবীদের জেরার মুখে পড়েন তারা। সকাল ১০টার আগে সরকারপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক ওই তরুণদের গতিবিধি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি অভিযোগ দেন।
তিনি উল্লেখ করেন, একজন সম্পাদক প্রার্থীর বেশকিছু লোক যারা সুপ্রিম কোর্ট বারের সদস্য কিংবা ভোটার নয়, তারা সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বিশেষ অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে মহড়া দিচ্ছে এবং ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের উত্ত্যক্ত করছে যা সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়। ভোটার ব্যাতিত অবাঞ্চিত, বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্রুত অপসারণের দাবি জানান তিনি। এর কিছুক্ষণ পর ওই তরুণরা সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ত্যাগ করে হাইকোর্ট মাজার গেট, মৎস্য ভবন এলাকায় অবস্থান নেন।
আওয়ামী লীগপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ (সাদা প্যানেল) থেকে সভাপতি পদে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি- জামায়াতপন্থী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (নীল প্যানেল) নীল প্যানেলে সভাপতি পদে সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন ও সম্পাদক পদে সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই প্যানেলের বাইরে সভাপতি পদে জেষ্ঠ আইনজীবী এম কে রহমান ও অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ নির্বাচন করছেন।
এ ছাড়া সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথী ও অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভুঁইয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবুল খায়েরের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন সাব-কমিটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন করছে।