ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কুখ্যাত ইউনিট নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
মূলত পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়েই নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা।
মার্কিন বার্তাসংস্থা অ্যাক্সিওস নিউজের এক প্রতিবেদনে বরাতে এ খবর জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল এবং ভারতীয় বার্তাসংস্থা আইএনএস।
তবে মার্কিন এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েল। দেশটি বলছে, সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে তীব্র নিন্দা জানিয়ে শনিবার (২০ এপ্রিল) রাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত হবে না। আমাদের সৈন্যরা সন্ত্রাসী দানবদের সঙ্গে লড়াই করছে।‘
ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচও মার্কিন পরিকল্পনার নিন্দা করেছেন। গভির বলেন, ‘আমাদের সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।’
তিনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টকেও মার্কিন আদেশের সামনে নতি স্বীকার না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল বলছে, মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে নেতজাহ ইয়েহুদা নিষেধাজ্ঞায় পড়লে লেহি আইন অনুযায়ী এই ইউনিটের বৃহত্তর আল্ট্রা-অর্থোডক্স পদাতিক সৈন্যরা মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে না। এছাড়া এই ইউনিটের সৈন্যদের মার্কিন বাহিনীর সাথে প্রশিক্ষণ বা মার্কিন অর্থায়নে যে কোনও কার্যকলাপে অংশ নিতে বাধা দেওয়া হবে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কুখ্যাত ইউনিট নেতজাহ ইয়েহুদার সদস্যরা একাধিক বিতর্কিত এবং সহিংস ঘটনার সাথে জড়িত। এই ইউনিটের সৈন্যরা অতীতেও ফিলিস্তিনি বন্দীদের নির্যাতন ও অপব্যবহারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।