১০ দিনে মারা গেছে ৯ জন

পদ্মায় গোসলে নেমে ৩ কিশোরের মৃত্যু

রাজশাহীর পবায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার শ্যামপুর বালুর ঘাটের পাশে গোসলে নেমে নিখোঁজ হয় তারা। বেলা পৌনে ৩টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। মৃত কিশোররা হলো রাজশাহীর মতিহার থানা এলাকার মো. রেন্টুর ছেলে যুবরাজ (১৪), একই এলাকার নূর ইসলামের ছেলে নুরুজ্জামান (১৫) ও লিটনের ছেলে আরিফ (১৪)। তারা কাটাখালী পৌরসভার শ্যামপুর এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। তীব্র খরতাপে একটু স্বস্তির আশায় শিশুকিশোররা পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। ১০ দিনে রাজশাহীতে পদ্মায় নেমে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবু সামা বলেন, মঙ্গলবার পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে তিন কিশোর নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের উদ্ধারে নামে।

ফায়ার সর্ভিস ও নৌ-পুলিশের তথ্যমতে, ১৪ এপ্রিল রাজশাহীর বাঘায় বিয়েবাড়িতে এসে পানিতে ডুবে মারা যায় জান্নাত (৮) ও ঝিলিক (১২)। ১৯ এপ্রিল আরও এক শিশু ডুবে মারা যায়। ২০ এপ্রিল বাঘায় পদ্মায় নৌকা ডুবে আসাদ হোসেন (১৮) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়। ২১ এপ্রিল পবায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে বাপ্পি হোসেন (১৬) ও মনির হোসেনের (২০) মৃত্যু হয়। সবশেষ গতকাল মঙ্গলবার পবায় আরও তিন কিশোরের মৃত্যু হলো।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আবু সামা বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, গরম থেকে পরিত্রাণ পেতে কিশোররা নদীতে গোসল করতে গিয়ে মারা যাচ্ছে। সাঁতার না জানা কিশোররা নদীতে গোসলে না গেলে মৃত্যু অনেকাংশেই কমে আসবে।’