কিংবদন্তিদের বয়স বাড়ে না। তাদের জীবনে একটা বছর এগিয়ে যায়। শচিন টেন্ডুলকার তেমনই এক মহাচরিত্র। তিনি আজ পা দিলেন জীবনের ৫১তম বসন্তে। তারপরেও তিনি সমান জনপ্রিয়। সারা বিশ্ব তাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে অসামান্য দক্ষতা ও কীর্তির জন্য।
লিটল মাস্টারের জন্মদিন ঘিরে ভারতের নানা প্রান্তে তীব্র গরমের মধ্যেও চলছে উৎসব। কলকাতার হাজরা অঞ্চলে শচিনের নামে একটা দেওয়ালই রয়েছে। সেই দেওয়ালে রাজনৈতিক স্লোগান কিংবা তাদের হয়ে কিছু লেখার নিয়ম নেই। শচিনের প্রতি ভালবাসা সর্বজনীন। তার ক্যারিশমা সারা বিশ্বে বিরাজমান।
শচিন টেন্ডুলকার ফাউন্ডেশনের কাজ সারাবছর ধরে চলে। ওই ফাউন্ডেশন ২০০ কচিকাঁচার দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের পড়াশুনো থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে মাথা তুলে দাঁড়ানোর মঞ্চ গড়ে দেবে শচিনের সংস্থা।
তাদের সঙ্গেই এদিন সকালবেলায় সময় কাটিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের কোহিনুর। ওই খুদেদের সঙ্গে ফুটবল খেলেছেন, কেক কেটেছেন। খেয়েছেন তরমুজ। পাশে ছিলেন স্ত্রী অঞ্জলী, যিনি স্রেফ স্বামী ও সন্তানদের জন্য নিজের চিকিৎসক পেশাকে বিসর্জন দিয়েছেন। ওই ফুটবল ম্যাচে দেখা গিয়েছে শচিনের ড্রিবল, স্ত্রী অঞ্জলীর বাঁশি মুখে কখনও রেফারির ভূমিকায়, কিংবা কখনও দলের অধিনায়কের ভূমিকায়।
শচিন সবেতেই ছিলেন উজ্জ্বল, তিনি মাটির মানুষ, মাটিতে পা রেখে চলেন। তাই তিনি অনন্য, ব্যতিক্রমী, ক্রিকেটার হিসেবে তো বটেই, মানুষ হিসেবেও তিনি সম্রাট।