লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে ২৯ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়ে আলোচনায় আসেন জেইক ফ্রেজার-ম্যাগার্ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি ওয়ানডেতে খেলেন ১৮ বলে ৪১ রানের ইনিংস। সর্বশেষ বিগ ব্যাশেও ম্যাকগার্ক ছিলেন দুর্দান্ত। ১৫৮.৬৪ স্ট্রাইক রেটে সেখানে তিনি ২৫৭ রান করেন। এরপর আইপিএলে এসে তাক লাগিয়ে দেন এই তরুণ। ৬ ইনিংসে ব্যাট করেছেন। স্ট্রাইক রেট ২৩৩, ফিফটি পেয়েছেন ৩ ম্যাচে। ১৫ বলে ফিফটি করেছেন দুবার। তবুও অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি তার।
এ নিয়ে অনেকেই কথা বলছেন। অধিনায়ক মিচেল মার্শসহ সবার কথারই মূল সুর এমন—ফ্রেজার-ম্যাগার্ক পারফর্ম করেছেন, তবে অস্ট্রেলিয়া দলে এখন যাঁরা খেলছেন, তাঁদের সবাই পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তাই হুট করেই তাঁর দলে ঢোকার সুযোগ নেই। সবার আগ্রহ ছিল ম্যাগার্ক নিজে কি বলেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না পাওয়া নিয়ে।
একটা পডকাস্টে আলাপ কালে ম্যাগার্ক বলেছেন, ‘বিষয়টি (বাদ পড়া) দুভাবে দেখা যায়। বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেতে আমি কী করেছি, সেটা দেখতে পারেন। অন্যভাবে দেখলে, দেখুন এক-দেড় মাস আগে আমি কিন্তু কোনো আলোচনাতেই ছিলাম না। তাই এটা আমাকে খুব বেশি কষ্ট দেয়নি। কারণ, আমি ওই জায়গাটা অর্জন করেছি, সেই ভাবনাটা আমার মধ্যে ছিল না। বিশ্বকাপ ক্রিকেট আইপিএল থেকে অনেক ভিন্ন।’
ফ্রেজার-ম্যাগার্ক যোগ করে বলেছেন, ‘আমি নিজেকে ব্যাটিং অর্ডারের ৫-৬ নম্বরে দেখি না, সেখানে টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিনরা থিতু। এই বিষয়ে আমি এভাবেই ভাবি। স্কোয়াড কেমন হতে পারে, সেটা তারা হয়তো এক-দেড় মাস আগেই আন্দাজ করেছিল। দলে জায়গা পাওয়াটাও কঠিন। ডেভিড ওয়ার্নার আছেন, যিনি তিন সংস্করণেই আমাদের সর্বকালের সেরা ওপেনার। ট্রাভিস হেড আছেন, যিনি গত ১৮ মাস ধরে দুর্দান্ত করছেন। এরপর মিচেল মার্শও এমন এবং সে আমাদের অধিনায়ক।’
মূল স্কোয়াডে জায়গা না পেলেও, ট্রাভেলিং রিজার্ভে সুযোগ পেতে চান ম্যাকগার্ক, ‘পাঁচ ছয় নম্বরেও নিজেকে রাখতে পারছি না আমি। কারণ টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিনদের মতো খেলোয়াড়রা এই পজিশনে মোটামুটি থিতু হয়ে গেছেন। আমি বিষয়টি এভাবে দেখছি। স্কোয়াড ঠিকই আছে। দলে জায়গা পেতে আমার হাতে সময়ও তো রয়েছে অনেক। আমাকে যদি কোনোভাবে ট্রাভেলিং (রিজার্ভ) প্লেয়ার হিসেবেও দলের সঙ্গে রাখা হয়, তাহলে ব্যাপারটি আমার জন্য এক দারুণ সুযোগ হবে। অনেক কিছু শেখা হবে আমার।’