ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় শেষ হলো ভোটগ্রহণ

নরসিংদীতে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আজ বুধবার (৮ মে) নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনা ইউনিয়নের দুইটি পৃথক কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছে।

এছাড়া পলাশ উপজেলা পরিষদ নিবার্চনে ভোট চলাকালীন সময়ে কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ জাবেদ হোসেনের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার পাঁচদোনা ইউনিয়নের পাঁচদোনা স্যার কেজি গুপ্ত স্কুল এন্ড কলেজের কেন্দ্রে আনারস প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল বাকিরের সমর্থকরা লোকজন নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। এনিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী কাপ-পিরিচের প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় আনারস প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্প ও দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন আহত হয়। পরে পুলিশ ও ডিবি ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অন্যদিকে সকাল ৯টার দিকে একই ইউনিয়নের কাকশিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার সময় সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আনারস প্রতীকের সমর্থকদের সাথে কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। একপযার্য়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ১০ জন আহত হয়। ওই সময় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ৪০ মিনিট পর পুনরায় ভোট চালু করা হয়।

কাকশিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার কাউছার আহমেদ জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষের উত্তেজনার ফলে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকে ভোটগ্রহণ।

এছাড়া সদর উপজেলা মূলপড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাহিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেয়।

নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নরসিংদীতে কেন্দ্রের বাহিরে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।