বসুন্ধরা কিংসের লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর তিন রাউন্ড বাকি থাকতেই জৌলুস কমে গিয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের। নিয়ম রক্ষার হলেও ১৬তম রাউন্ডের প্রথম দিনে বেশ উত্তেজনা ছড়িয়েছে মাঠের ফুটবলে। আবাহনীর বিশাল জয়ের বিপরীতে হারতে হারতে কোনোরকমে ম্যাচ বাঁচিয়েছে মোহামেডান।
গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মণি স্টেডিয়ামে শুক্রবার লিগের তলানির দল ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে আবাহনী। হ্যাটট্রিকসহ ৪ গোল আসে কর্নেলিয়াস স্টুয়ার্টের পা থেকে। এছাড়া ওয়াশিংটন ব্রান্দাও ২টি ও মেরাজ হোসেন অপি করেন ১টি গোল।
দিনের অন্য ম্যাচে ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূইয়া স্টেডিয়ামে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করে মোহামেডান। প্রথমার্ধের ২১ মিনিটের মধ্যে দুই গোলে চালকের আসনে বসে ছিল মোহামেডান। পঞ্চম মিনিটে প্রথম গোল করেন জাফর ইকবাল। ২১তম মিনিটে ইমানুয়েল সানডের ছোট পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সুলেমান দিয়াবাতে কোনাকুনি শটে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে পাঠান বল।
এরপরই দৃশ্যপটে হাজির হয় রহমতগঞ্জ। সাত মিনিটের মধ্যে দুই গোলই শোধ করে বসে তারা। ৩৪তম মিনিটে রহমতগঞ্জকে ম্যাচে ফেরান আর্নেস্ট বোয়াটেং। ৪১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে পুরান ঢাকার দলটিকে সমতায় ফেরান স্যামুয়েল কোনি। বিরতি থেকে ফিরে ৬৫তম মিনিটে ম্যাচে লিড নেয় রহমতগঞ্জ। বোয়াটেংয়ের থ্রু পাস ধরে মোহামেডানের দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে এগিয়ে যান কোনি। গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে বল জড়ান জালে।
নিশ্চিত হেরে যাওয়া ম্যাচের যোগ করা সময়ের ৭ম মিনিটে মোহামেডানকে হাফ ছেড়ে বাঁচার অবকাশ এনে দেন সুলেমান দিয়াবাতে। জুয়েল মিয়ার ক্রসে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন মালির এই ফরোয়ার্ড। এই ড্র ১৬ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে সাদা-কালোরা এখনো দ্বিতীয় স্থানে আছে। তবে আবাহনী ছুঁয়ে ফেলেছে তাদের। আকাশি-নীলরা পিছিয়ে গোল পার্থক্যে।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় দিনের শেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। প্রথমার্ধে পল কোমোলাফের গোলে চট্টগ্রামের ক্লাবটি এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৩তম মিনিটে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আতান্দা ওগুনবের গোলে সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে শেখ রাসেল।