কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে দুর্বৃত্তদের চেতনানাশক ওষুধ মেশানো খাবার খেয়ে সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের শিহর চিওড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, নুরুন্নবী (৬৫), তার ছেলে লোকমান (২০), মেয়ে জান্নাতুল মীম (২০), নুরুন্নবীর ছোট ভাই এয়াকুব মজুমদার (৫৫), তার স্ত্রী ঢালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফৌজিয়া ইসলাম (৪৫), তার মেয়ে শিহর চিওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইশরাত জাহান প্রেমা (২৬) ও পাশের বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে ফোরকান (২০)। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে লোকমান হোসেনকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, দুর্বৃত্তরা শুক্রবার সন্ধ্যার কোনো এক সময় শিহর চিওড়া গ্রামের নুরন্নবী ও তার ছোট ভাই এয়াকুব মজুমদারের রান্নাঘরের জানালা দিয়ে রান্না করা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশকম ওষুধ মিশিয়ে দেয়। ওই খাবার খেয়ে নুরুন্নবী ও এয়াকুবের পরিবারের সাতজন ও পাশের বাড়ির ফোরকান গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পড়েন। নুরুন্নবীর স্ত্রী খোদেজা বেগম ও ছেলে আহছানের স্ত্রী কাজী ফাতেমা রাতের খাবার না খাওয়ায় তারা অচেতন হননি। পরে খোদেজা আক্তার ও কাজী ফাতেমা পরিবারের সদস্যদের অচেতন হওয়ার ঘটনাটি টের পায়। এতে দুর্বৃত্তরা রাতের বেলা ঘর থেকে নগদ টাকা এবং মালামাল নিতে পারেনি। পরে শনিবার সকালে অসুস্থদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশের একটি মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। অসুস্থরা গভীর ঘুমে অচেতন থাকায় তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তারা সুস্থ হয়ে এসে থানায় অভিযোগ করলে তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’