মৌলভীবাজার-রাজবাড়ী

ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু

ট্রেনে কাটা পড়ে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এক নারী ও রাজবাড়ী সদরে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে পৃথক ঘটনা দুটি ঘটে।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নিহত পারুল বেগম (৩৫) উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের চৌধুরীবাজার এলাকার ফারুক মিয়ার স্ত্রী। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের বাগেরটেকি এলাকার রেললাইন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গলের রেলওয়ে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হেমায়েত হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন দুপুর ১২টার দিকে বাগেরটেকি এলাকায় পৌঁছালে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন পারুল বেগম। এতে তার দুই হাত ও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথা থেঁতলে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি আরও বলেন, এক মাস আগে পারুলের বিয়ে হয়। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে তিনি ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন।

এদিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের জয়রামপুর গ্রামে রাজবাড়ী-ফরিদপুর রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়া অজ্ঞাতপরিচয়ে এক ব্যক্তির (৫০) লাশ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। গতকাল সকালে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়।

রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার ওসি সোমনাথ বসু বলেন, সকালে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজবাড়ী-ফরিদপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে প্রথমে লাশ দেখতে পাওয়া যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকালে রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিনটি ট্রেন ছেড়ে যায়। ভোর ৫টায় চন্দনা কমিউটার ট্রেন ঢাকার উদ্দেশে, সকাল ৬টায় রাজবাড়ী-ফরিদপুর এক্সপ্রেস ভাঙার উদ্দেশে এবং সকাল সাড়ে ৬টায় নকশিকাঁথা কমিউটার ট্রেন ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।