প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে আসা উগান্ডার জন্য ১৮৪ রানের লক্ষ্যটা যেন হয়ে উঠলো বিশাল। রান তাড়া করতে নেমে ফজল হক ফারুকির করা প্রথম ওভারেই জোড়া উইকেট হারায় উগান্ডা। দলীয় ১৮ রানে তারা হারায় ৫ উইকেট। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি আফ্রিকা অঞ্চলের দেশটি।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে ১৬ ওভারে ৫৮ রানে অলআউট হয়েছে উগান্ডা। ফারুকি ৪ ওভারে ৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ৫ উইকেট। যা তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চতুর্থ সর্বনিম্ন রানে অলআউটের রেকর্ড এটি। ১২৫ রানের বড় জয় পেয়েছে আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে রানের হিসেবে এটি চতুর্থ বৃহত্তম জয়।
বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ব্যবধানে জয়। এর আগে ২০২১ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩০ রানে জিতেছিল আফগানিস্তান।
উগান্ডার মাত্র দুজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে রান করেছেন। সর্বোচ্চ ১৪ রান করেছেন রবিনসন ওবুয়া। তার ২৫ বলের ইনিংসে ছিল একটি ছক্কা। যা তাকে বানিয়েছে বিশ্বকাপে উগান্ডার হয়ে ছক্কা হাকানো প্রথম খেলোয়াড়। এছাড়া ৩৪ বলে ১১ রান করেন রিয়াজাত আলি শাহ।
ম্যাচে দুইবার হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন ফারুকি। প্রথম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ফেরান রনাক প্যাটেল (৪) ও রজার মুকাসাকে। ইনিংসের ১৩তম ওভারে আবারও হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে সেটি করতে না পারলেও, নেন ৩ উইকেট।
তার ৯ রানে ৫ উইকেট টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চতুর্থ সেরা বোলিং ফিগার। আফগানিস্তানের এটি দ্বিতীয়সেরা বোলিং। এছাড়া নাভিন-উল-হক ৪ রানে ২টি এবং রশিদ খান ১২ রানে ২ উইকেট নেন।
তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা আফগানিস্তান বড় সংগ্রহ পায় উদ্বোধনী জুটিতে। দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান জুটিতে তোলেন ১৫৪ রান। উদ্বোধনীতে আফগান ওপেনারদের ১৫৪ রানের জুটি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। ইনিংসের ১৫তম ওভারে ৪৬ বলে ৭০ রান করে জাদরান ফিরলে জুটি ভাঙে। তিন বল বল আউট হন আরকে ওপেনার গুরবাজ আউট হন। চারটি করে চার ও ছক্কায় গুরবাজ করেন ৪৫ বলে ৭৬ রান।
উগান্ডার ব্রায়ান মাসাবা ৪ ওভার বল করে ২১ রানে নেন ২ উইকেট।