আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব খান (৫৫) হত্যা মামলায় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম হালদারসহ ৯ আসামিকে জেলে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হত্যা মামলার ৯ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কাজী আব্দুল হান্নান তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ছাড়াও কারাগারে পাঠানো অন্যান্য আসামিরা হচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যানের চাচা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান কবীর হালদার, ছোট ভাই উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান খুকু হালদার, নজরুল ইসলাম হালদার ওরফে নাজির হালদার, রাসেল হালদার, যুবরাজ হালদার, এইচএম বাবর সবুজ হালদার, আবু কাউছার সোহেল ওরফে আবু কাউছার ও আনিছ হালদার।
এর আগে হত্যা মামলার ওই আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে পৃথক দুটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিনে আসেন। আজ বুধবার নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানায়। এতে আদালত জামিন নামঞ্জুর না করে কারাগারা প্রেরনের নির্দেশ দেন।
গত ৮ এপ্রিল পূর্ব বিরোধের জেরে জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘীরপাড় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মো. সোহরাব খান খুন হন। নিহত সোহরাব উপজেলার মূলচর গ্রামের প্রয়াত নুরু খানের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মান্নান খান বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ আমলী আদালত-৪ এ পিটিশন মামলা দায়ের করেন। এতে আদাতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মানিক মামলাটি আমলে নিয়ে টঙ্গীবাড়ি থানাকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন।