প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট পথ অস্পষ্ট

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে এবারের বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও তা কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর কাছে। তবে আগামী বছরের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে সংকোচনমূলক নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের কাছাকাছি ছিল, ২০১০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ শতাংশে। কিন্তু সরকার দুই বছরের মধ্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পরবর্তী এক দশক মূল্যস্ফীতি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে ছিল।’

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মূল্যস্ফীতি নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কভিড-১৯ মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের কারণে গত কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।’

আপাতত সংকোচনমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ আরও কিছুদিন চালু থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি এবং তা নিয়ন্ত্রণে আমরা আরও কী করতে পারি তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি।’

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) দীর্ঘদিন বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধের বিষয়টি তুলে ধরে। এ কারণে গভর্নরের বক্তব্য বর্জনের কথাও বলেন সংগঠনের সভাপতি। তাই পুরো সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চুপ থাকেন গভর্নর।

গভর্নরের সংবাদ বয়কট করার কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান ও অর্থ সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার।

সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন, এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। মূল্যস্ফীতি এখনো আমাদের দেশে ৯ শতাংশের ঘরে রয়েছে। আমাদের গৃহীত পদক্ষেপের জন্য মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশে রাখা সম্ভব হয়েছে। আমরা যে পদক্ষেপ নিয়েছি তার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে। মূল্যস্ফীতি থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে ওএমএস ও ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে যে কার্যক্রম চলছে, তা চলমান থাকবে। প্রয়োজনে এগুলো আরও বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেন, চাহিদা-সরবরাহের সমন্বয়ের মাধ্যমেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে চাহিদা ও সরবরাহ কীভাবে সমন্বয় করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি যেহেতু আমাদের এখন প্রধান অগ্রাধিকারের বিষয় তাই সংকোচনমূলক নীতিকৌশল আরও কিছুদিন চলমান থাকবে। তবে এর ফলে আমাদের প্রবৃদ্ধি যাতে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও আমরা লক্ষ রাখছি। শিল্প এবং সেবা খাত যেন তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে পারে, সেজন্য সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এর ফলে সংকোচনমূলক নীতি অনুসরণ সত্ত্বেও চলতি অর্থবছরে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে। আগামী অর্থবছরে আমরা ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হব।’

আবুল হাসান মাহমুদ আলী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ, যা বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থিক মুক্তির সনদ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ পেনশন ব্যবস্থাপনার তহবিল পরিচালনার ব্যয় সরকার বহন করায় ও বিনিয়োগের মুনাফা জমাকারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ায়, এটি হবে বিশে^র অন্যতম আকর্ষণীয় পেনশন কর্মসূচি। সরকারি চাকরিজীবীদেরও বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির (স্কিম) আওতায় নিয়ে আসা হবে। পেনশন সুবিধা পান, এমন সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা হবে। স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ইতিমধ্যে এ ব্যবস্থার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। শিগগির অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্যও এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

বাজেটে ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণ নির্ভরতার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া এটা সব বাজেটে সব অর্থমন্ত্রীরা করে থাকেন। সব সরকার করে থাকে। উন্নত দেশে আরও অনেক বেশি নিয়ে থাকে, আমরা তো মাত্র ৫ শতাংশের মধ্যে এটা ধরে রেখেছি। কাজেই এটা গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। এটা নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই।’

এদিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হয়ে অর্থমন্ত্রী বারবার প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ও অন্যান্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দ্বারস্থ হন। প্রথম থেকেই বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, এবারের বাজেটে এমন কিছু রাখা হয়নি যাতে করে বাজার অস্থির হবে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে কৃষকরাও দায়ী। তিনি বলেন, রমজানের পর থেকে এখনো তেল-চিনির দাম ভারসাম্য অবস্থায় আছে। ধান-চাল আমদানিতে কর দুই-এক শতাংশ করা হয়েছে বাজেটে। এখন এক কোটি নাগরিক ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য পাচ্ছে। আসন্ন বাজেটের মেয়াদে ন্যায্যমূল্যে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য দেওয়ার কাজ চলছে। এটা হলে আরও বেশিসংখ্যক মানুষ এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন আমাদের ভোক্তা অধিকার রয়েছে। সেটির মাধ্যমে আমরা বাজার মনিটরিং করি। ঈদ সামনে রেখে সেটি আমরা অব্যাহত রেখেছি। বাজেটে কর মওকুফ করায় আমাদের নিত্যপণ্যের দাম কমবে। আমরা যখন দেখতে পাই নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন কর কমিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করব। এবারের বাজেটে ১৭২টি পণ্যের ওপর শুল্ককর কমানো হয়েছে।’

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, সরকারের ঋণ আন্তর্জাতিক মানদন্ডের চেয়ে অনেক কম। কিন্তু প্রচার করা হচ্ছে অন্যভাগে। ঋণ নিয়ে যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, ঋণ তার চেয়ে অনেক কম। তবে সরকারের ঋণ নিয়ে নেতিবাচক প্রচার করা হচ্ছে, যেভাবে প্রচার করা হয়েছিল কভিডের।

ঋণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্যদের তুলনায় এখনো অনেক ভালো আছে দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘জিডিপির হিসাবে ৩৩তম অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। আমরা বাজেটে প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতিকে প্রাধান্য দিয়েছি। উন্নত দেশে বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশের ওপর, আমেরিকায় ৬ দশমিক ৮ শতাংশ ঘাটতি। আমাদের ঘাটতি বাজেট ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। তাই এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। আমাদের লক্ষ্য প্রবৃদ্ধিটা যেন থাকে, মূল্যস্ফীতি যেন কমে যায় বা নিয়ন্ত্রণে থাকে।’

কালো টাকা সাদা করা সুযোগ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, ‘আসলে যখন এ ধরনের অ্যামনেস্টি (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়, তখনই সাধারণের প্রশ্ন আসে যে, এটা কালো টাকাকে সাদা করার জন্য। কিন্তু আমরা মূলত এ অ্যামনেস্টি দিয়ে থাকি বিভিন্ন কারণে অপ্রদর্শিত কিছু সম্পদ থাকতে পারে, যা রিটার্নে দেখানো হয়নি আগে, সেটা নানা কারণে হতে পারে। অসতর্কতার জন্য হতে পারে। অজ্ঞতার কারণে রিটার্নে দেখানো যায়নি অথবা অন্যের মাধ্যমে রিটার্ন জমা দেওয়ার কারণে হতে পারে। আমাদের অনেকেই নিজে রিটার্ন জমা না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে রিটার্ন জমা দেন। আরও একটি বিষয় রয়েছে, সেটা আপনারা স্বীকার করবেন যে, জমি ক্রয়-বিক্রয়ে আমাদের কিছু টাকা আমাদের অজ্ঞাতেই কালো হয়ে যায় বা অপ্রদর্শিত হওয়ার সুযোগ হয়ে যায়। এ ধরনের কিছু অনিবার্য কারণে রিটার্নে যেসব সম্পদ দেখাতে পারেননি, সেই সম্পদ দেখানোর সুযোগ দেওয়ার জন্য অনেক দেশেই এর অনুশীলন আছে।’

তিনি বলেন, ‘আরও একটি বিষয় হলো, কালো টাকা যারা তৈরি করেন, আমরা কথায় কথায় বলি, কালো টাকাকে যারা প্রশ্রয় দেন, তারা অর্থনীতিতে এ কালো টাকাকে ব্যবহারের জন্য করেন না। কালো টাকা মূলত দেশের বাইরেই বেশি চলে যায় এবং বিভিন্ন ভোগ-বিলাসের কাজেই ব্যয় হয়ে যায়। সেই জায়গা থেকেই রিটার্নে বিষয়টি রাখার জন্য সুযোগটা রেখেছি।’

বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের ওপর সরকারের অতি নির্ভরতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া নৈমিত্তিক কাজ। ব্যাংকে টাকা রাখলে তো সুদ বাড়ে। ব্যাংক এসব সুদ কীভাবে দেবে? এজন্য ব্যাংক টাকা বিনিয়োগ করছে। এ পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী চলমান। ব্যাংকের ব্যবসা বন্ধ না করে চালু রাখতে হবে।

ঋণখেলাপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঋণখেলাপি এক দিনের নয়, দীর্ঘদিনের। সরকারের অন্যতম টার্গেট খেলাপি ঋণ কমানো।

এমপিদের গাড়িতে শুল্ক বসানোর প্রস্তাব সম্পর্কে মসিউর রহমান বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের বিনা শুল্কে গাড়ি আনার সুবিধাটি প্রথম প্রচলন করেন এরশাদ সাহেব। একটা বিষয় চালু হলে সেটা বন্ধ করা কঠিন। তবে আমাদের অর্থমন্ত্রী এবার এমপিদের গাড়িতে শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন। আশা করছি এটা বাস্তবায়ন হবে।’

পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের কল্পিত দুষ্ট ব্যক্তি আমি ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী পাশে না থাকলে এখানে কথা বলতে পারতাম না। তবে এটা কানাডার আদালতে মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে। যারা অভিযোগ করেছে, তারা কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী নিজের টাকায় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করে বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন।’

অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘ব্যাংকের তারল্যের সঙ্গে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। ইনফ্লেশন মেজার করার জন্য কিছু টুলস আছে। সেগুলো আমরা কিছুদিন পরপর আপডেট করি। মনিটরিসহ বিভিন্ন পলিসি নিয়ে থাকি। মূল্যস্ফীতির কারণে যেসব মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের সহায়তা করার বাজেট বরাদ্দ অনেক বেড়েছে। এক কোটি ফ্যামিলি কার্ড ছাড়াও টিসিবির মাধ্যমে আমরা পণ্য দিয়ে থাকি। আমরা আশাবাদী যেসব উদ্যোগ নিয়েছি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।’