ডা. হাকিম নার্গিস মার্জান
অল্টারনেটিভ মেডিসিন গবেষক
হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ
ল্যাভেন্ডার গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। আড়াই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ ল্যাভেন্ডার তেল ব্যবহার করে আসছে। মিসরীয় সভ্যতায় মমি বানানোর উপকরণ হিসেবে এবং প্রাচীন রোমানরা তাদের স্নানে ল্যাভেন্ডার ব্যবহার করত বলে জানা যায়।
কী আছে : ল্যাভেন্ডারে লিনালাইল অ্যাসিটেট, লিনালল, পাইনিন, লিমোনিন, জেরানিয়ল এবং সিনিওল বিদ্যমান।
উপকারিতা : রূপচর্চায় ওষুধ হিসেবে ল্যাভেন্ডার অয়েলের ব্যবহার বেশ পুরনো। সুগন্ধিযুক্ত হওয়ায় ফেস মাস্ক, ক্লিনজার, সাবান, সুগন্ধি, বিভিন্ন প্রধাসন সামগ্রী প্রস্তুতে ব্যবহার হয়। ল্যাভেন্ডার অয়েল ছত্রাকজনিত যেকোনো রোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের আঘাত দ্রুত সারিয়ে তুলতে ল্যাভেন্ডার অয়েল অতুলনীয়। এলোপেসিয়া বা চুল পড়া রোধে ল্যাভেন্ডার অয়েল বেশ কার্যকর। ল্যাভেন্ডার অয়েল সাময়িক অবসাদ দূর করে, পেশির ব্যথা কমায়, অনিদ্রা দূর করে আরামদায়ক ঘুম আনতে সাহায্য করে। এছাড়া মাথাব্যথা কমায়, পোড়া-ক্ষত নিরাময় করে, র্যাশ, একজিমা, চুলকানি ও ফুসকুড়ি দূর করে। সুগন্ধি থেরাপিতে ল্যাভেন্ডার অয়েল প্রধান কার্যকরী উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। লেভেন্ডার অয়েল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে, সাধারণ তেলের সঙ্গে দুই এক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে গায়ে মাখলে পোকামাকড়ের কামড়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এছাড়াও লেভেন্ডার অয়েল মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে। বহুমুখী ভেষজ গুণাবলির জন্য বিভিন্ন ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ফর্মুলেশনে ল্যাভেন্ডার ব্যবহার করা হয়।