ভারতের চেরাপুঞ্জি ও গতরাতে সুনামগঞ্জে অস্বাভাবিক অব্যাহত বর্ষণের ফলে পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার পৌর শহরের উত্তর আরপিননগর, পশ্চিম তেঘরিয়া, বড়পাড়া, মল্লিকপুর, কালীপুর, ওয়েজখালী, নবী নগর, কাজীর পয়েন্ট, নতুন হাসন নগরসহ পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চলগুলো পানিতে ডুবে গেছে। ঈদের দিনে পানি বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মানুষরা।
এছাড়াও জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর ও তাহিরপুর উপজেলার গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে দোয়ারাবাজারের ৫ গ্রাম পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লক্ষাধিক মানুষ।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দূর্গাপুর সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সরাসরি সড়ক পথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ওই উপজেলার বাসিন্দারা।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, বৃষ্টিপাত আরও ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকবে এবং নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাসেদ ইকবাল চৌধুরী বলেন, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুকনো খাবার মজুদ, উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য নৌকাসহ মাঝি ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা আছে।